নওগাঁ: নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার চকদুর্গায়াম গ্রামে রোববার গভীররাতে শামীমা আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূর ওপর এসিড নিক্ষেপ করেছে তার স্বামী।
এতে ওই গৃহবধূর মুখমন্ডলসহ শরীরের বিভিন্নস্থান ঝলসে গেছে।
পরে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শামীমা ওই গ্রামের কৃষক মোকসেদুলের মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বছর অক্টোবর মাসে চাপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার কালিগঞ্জ গ্রামে হুমায়ন কবিরের ছেলে শহিদুল ইসলামের (২৫) সঙ্গে শামীমার বিয়ে হয়।
বিয়ের পর থেকেই স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন শামীমাকে অত্যাচার নির্যাতন করে আসছিল। এক পর্যায়ে গত মার্চ মাসের শেষের দিকে শহিদুল শামীমাকে নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে বসবাস শুরু করেন।
শামীমার বাবা বাংলানিউজকে জানান, মেয়ে সুন্দরী হওয়ায় জামাই শহিদুল প্রায় সন্দেহ করতো। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই বাকবিতন্ডা লেগেই থাকতো।
তিনি আরও জানান, রোববার রাতে তারা খাবার শেষে ঘুমাতে যায়। রাত ৩টার দিকে শহিদুল শামীমার মুখমন্ডল ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এসিড নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়।
এ সময় শামীমার চিৎকার শুনে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ব্যাপারে পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান,এ ঘটনায় শামীমার বাবা মোকসেদুল বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
বাংলাদেশ সময়: ২১১৫ ঘণ্টা, মে ২১, ২০১২
প্রতিবেদন: শফিক ছোটন
সম্পাদনা: মো. মাহাবুর আলম সোহাগ, নিউজরুম এডিটর