 |
ডাবলিন: আয়ারল্যান্ড জাতীয় সংসদে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড এবং এর তদন্তে রাষ্ট্র ও তদন্ত সংস্থার অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আইরিশ উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যামন গিলমোর এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগের আশ্বাস দিয়েছেন।
গত বুধবার দুপুর ২টায় ডাবলিনে “ইন্টারন্যাশনাল কমিশন ফর ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং অব জার্নালিস্ট সাগর-রুনি মার্ডার ইন বাংলাদেশ” এর চেয়ারম্যান আয়ারল্যান্ড সংসদের সদস্য জন হ্যালগেন আয়ারল্যান্ড সরকারের প্রতি সাগর-রুনি হত্যা তদন্তে গতি আনতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি চাপ দেওয়ার জন্য বিষয়টি উত্থাপন করেন।
পরে জন হ্যালিগেন সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। তিনি জানান, আইরিশ উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যামন গিলমোর এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার এবং তার স্ত্রী এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার মেহেরুন রুনির লাশ গত ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে নিজ বাসার বেডরুমে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। এই এ ঘটনার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪৮ ঘণ্টায় আসামিদের গ্রেফতারের ঘোষণা দেওয়ার পরে দীর্ঘ ৫ মাস পেরিয়ে গেলও আজো তার সুরাহা হয়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশে কিছু বিধি-নিষেধের আদেশ দিয়ে তা পালনের জন্য সচিবকে নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, প্রবাসী রাজনীতিক-সাংবাদিক শেখ মহিউদ্দিন আহমেদের উদ্যোগে এই ইন্টারন্যাশনাল কমিশন গঠন করা হয়। কমিশনের সদস্য হিসেবে রয়েছেন-বৃটেনের কাউন্সিলর আয়েশা চৌধুরী, ব্যারিস্টার তারিক-বিন-আজিজ, কানাডার সৈকত রুশদী হক, যুক্তরাষ্ট্রের আবু জাফর মাহমুদ এবং আয়ারল্যান্ডের শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ।
নিউইয়র্র্কে গত ২ এপিল ২০১২ এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে কমিশন গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আইরিশ সংসদ সদস্য হ্যালিগেনকে কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশ সময়: ১৪৩০ ঘণ্টা, ১২ জুলাই, ২০১২
সম্পাদনা: আহ্সান কবীর, আউটপুট এডিটর