 |
ঢাকা: এবারের ঈদ ফুটবলার জাহিদ হাসান এমিলির জন্য একটু অন্যরকম। কারণ জাতীয় দলের এই স্ট্রাইকার বসেছেন বিয়ের পিঁড়িতে। ব্যস্ততার কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে সবাইকে না জানানোয় ঈদের পর বৌভাত অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছেন। ঈদ নিয়ে এমিলির সাক্ষাৎকারটি বাংলানিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-
প্রশ্ন: কোথায় ঈদ করবেন?
এমিলি: প্রতিবছরই গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরে ঈদ করলেও এবার যাওয়া হচ্ছে না। বড় ভাইদের সঙ্গে ঢাকার বাসাতেই থেকে যাচ্ছি। ভাই-ভাবী এবং বৌ তারানাকে নিয়ে ঈদ করবো এবার।
প্রশ্ন: ঈদের কেনাকাটা করেছেন?
এমিলি: ঈদের সব কেনাকাটা আমি নিজেই করেছি। সবাইকে সাধ্যনুযায়ী কিছু দেওয়ার চেষ্টা করেছি।
প্রশ্ন: পছন্দের পোশাক কী?
এমিলি: ঈদের দিন সকালে পাঞ্জাবী পড়ে নামাজ পড়তে যাবো। বিকেলে জিন্স প্যান্ট ও শার্ট পড়বো।
প্রশ্ন: ঈদের দিন কি করবেন?
এমিলি: সকালে নামাজ পড়তে যাব। সবাইকে নিয়ে সারাদিন বাসাতেই থাকবো। সন্ধ্যার পর তারানাকে নিয়ে ঘুরতে বেড়োবো।
প্রশ্ন: খেলোয়াড় হওয়ার আগের ঈদ ও বর্তমানের ঈদ সম্পর্কে বলুন?
এমিলি: ছোট বেলার ঈদ ছিলো অত্যন্ত মজার। সকালে গোসল করে নামাজ পড়ে এসেই বড়দের সালাম করতাম। সবাই সালামী দিতেন। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বেড়িয়ে পড়তাম। খুব আনন্দ হতো। এখন তো অনেকটাই গৎবাঁধা ছকে ঈদ পালন করি।
প্রশ্ন: সালামী পেতে না দিতে বেশি আনন্দ পান?
এমিলি: সালামী পেতে ও দিতে উভয়টিতেই খুব আনন্দ। আগে বেশি সালামী পেতাম এখন ছোটদের সালামী দিতে হয় বেশি। তবে আল্লাহ যেহেতু সামর্থ্য দিয়েছেন তাই সবাইকে সামর্থ্যনুযায়ী খুশি রাখতে চেষ্টা করি।
প্রশ্ন: কেন চুপিচুপি বিয়ে করলেন?
এমিলি: আসলে আমাদের মাঝে সম্পর্কটা কয়েক বছরের। পরিবারকে কিছুদিন আগে জানালে তারা বিয়েতে সম্মতি দেন। তবে ব্যস্ততার কারণে সবাইকে জানাতে পারিনি। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই সবাইকে নিয়ে বড় করে অনুষ্ঠান আয়োজন করবো।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৫৫ ঘণ্টা, আগস্ট ১৯, ২০১২
এএইচবি
সম্পাদনা: চঞ্চল ঘোষ, নিউজরুম এডিটর