 |
নিউইয়র্ক: শিগগিরই নিউইয়র্ক থেকে ঢাকা যাচ্ছেন জেনারেল মঈন উ আহমেদ। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি সুত্র জানিয়েছে, দেশের পাট পুরোপুরি চুকিয়ে নিতেই এই দফা বাংলাদেশে যাচ্ছেন সাবেক এই সেনাপ্রধান।
সূত্রটি জানায়, স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জেনারেল মঈন। দেশে ডিওএইচএস’র বাড়িটিসহ সাভারের জমি এবং আরো কিছু সম্পত্তি বিক্রি করে দেবেন তিনি। আর সে কারণেই তিনি দেশে ফিরছেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই জেনারেল মঈন দেশের এ ঝামেলা চুকিয়ে ফেলতে চান বলে জানায় সূত্রটি।
তবে দেশে না ফিরেই কাজটি করার সব চেষ্টা চালিয়েছিলেন ওয়ান ইলেভেনের অন্যতম কুশীলব জেনারেল মঈন উ আহমেদ। এ নিয়ে নিউইয়র্কের কনস্যুলেট অফিসে দৌঁড়ঝাপও কম করেননি। কিন্তু বাঁধ সেদেশের দেশের নতুন আইন।
কনস্যুলেটের একটি সূত্র বাংলানিউজকে জানায়, জেনারেল মঈন ‘পাওয়ার অব অ্যাটর্নি’র কাগজপত্র ঠিক করতে সেখানে গিয়েছিলেন। সম্পত্তি বিক্রয়ে শারীরিক উপস্থিতি এড়াতেই ‘পাওয়ার অব অ্যাটর্নির’ কাগজপত্র ঠিক করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাংলাদেশের নতুন আইনে সম্পত্তি বিক্রয়ে এবং রেজিস্ট্রেশনের জন্য উভয় পক্ষকেই শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে হবে। ফলে জেনারেল মঈনকে দেশে যেতেই হচ্ছে।
সম্পত্তি বিক্রি করতে হলে জেনারেল মঈনের দেশে যাবার কোনো বিকল্প নেই, জানায় সূত্রটি।
উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরে নিউইয়র্কের নর্থশোর লং আইল্যান্ড জুইশ হাসপাতালে জেনারেল মঈনের ‘বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট’ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডাতে ভাই ও বস্টনে ছেলের কাছে কিছু দিন কাটিয়ে ২০১১‘র শেষভাগেই জেনারেল মঈন চিকিৎসার জন্য নিউইয়র্কে আসেন।
জেনারেল মঈনের ঘনিষ্ঠ সূত্রটি আরো জানায়, বর্তমানে লং আইল্যান্ড জুইশ হাসপাতালের নিউরোলজি বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশি এক চিকিৎসকের অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছেন জেনারেল মঈন। বাংলাদেশি এই চিকিৎসকের বাড়ি নরসিংদীতে।
সূত্রমতে, নিউইয়র্কের কুইন্সের জ্যামাইকা এস্টেট এলাকায় স্ত্রীর পক্ষের এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের বাড়িতে বর্তমানে সস্ত্রীক বসবাস করছেন জেনারেল মঈন। তার বাংলাদেশি চিকিৎসকও একই এলাকায় তার প্রতিবেশী।
বাংলাদেশ সময় ২১০০ ঘণ্টা, জুলাই ৩১, ২০১২
এমএমকে; সম্পাদনা:জুয়েল মাজহার, কনসালট্যান্ট এডিটরjewel_mazhar@yahoo.com