 |
ময়মনসিংহ: কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে বাংলানিউজের ধারাবাহিক প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই বাংলানিউজে প্রকাশিত ধারাবাহিক প্রতিবেদনের ২য় দফা প্রিন্ট করে বিলি করেছেন। এর ফলে, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলানিউজ এখন টক অব দ্য ক্যাম্পাস।
এদিকে, বাংলানিউজে প্রতিবেদন প্রকাশের ফলে প্রায় ২ মাস পর বিশ্ববিদ্যালয়ে এলেও বুধবারেও কার্যালয়ে যাননি উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র বাংলানিউজকে জানায়, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে বাংলানিউজে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করতে যান ডেপুটি রেজিস্ট্রার হুমায়ুন কবীর ও উপাচার্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুল হালিম। ঘণ্টাখানেক তাদের মধ্যে রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়।
বৈঠকের বিষয় জানতে চাইলে ডেপুটি রেজিষ্ট্রার হুমায়ুন কবীর বলেন, বাংলানিউজের প্রতিবেদনের বিষয়ে কোনো কথা হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের একাধিক সূত্র বাংলানিউজকে জানান, বাংলানিউজের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে। এ কারণে দিনভর বেশ চিন্তিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার হুমায়ুন কবীর, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নির্মল চন্দ্র সাহা ও উপপরিচালক (অর্থ ও হিসাব) নজরুল ইসলাম।
সূত্রটি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার হুমায়ুন কবীরের অফিস কক্ষে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নির্মল চন্দ্র সাহা ও উপপরিচালক (অর্থ ও হিসাব) নজরুল ইসলাম কীভাবে রিপোর্ট হলো, এত তথ্য মিডিয়া কীভাবে পেলো, কারা এসব তথ্যের যোগান দিলো এ নিয়ে বিশ্লেষণে ব্যস্ত ছিলেন তারা।
তবে এবিষয়ে তারা মিডিয়ার সামনে আর কোনো বক্তব্য দিতে রাজি নন। ভিসিপন্থি শিক্ষকরাও নীরব রয়েছেন।
এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন তরুণ শিক্ষক বাংলানিউজকে বলেন, আমি মনে করি, বাংলানিউজ এখন অন্য মিডিয়ার ওপর দায়িত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। সেই দায়িত্ব পালনে অন্যান্য মিডিয়াকেও এগিয়ে আসতে হবে।
বাংলাদেশ সময়: ২১৩১ ঘণ্টা, আগস্ট ০৮, ২০১২
সম্পাদনা: ইয়ানিফ আকবর, নিউজরুম এডিটর, আশিস বিশ্বাস, অ্যাসিস্ট্যান্ট আউটপুট এডিটর