৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০, মঙ্গলবার মে ২১, ২০১৩ ১২:৩২ পিএম BDST banglanew24
04 Jul 2012   05:58:02 PM   Wednesday BdST
E-mail this

গল্প

টয়োটা-প্রোবক্স


সৈকত মল্লিক
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
টয়োটা-প্রোবক্স গল্প

‘মামা যাবেন নাকি? চলেন, নীলক্ষেত মোড় যাবো।’ রিক্সাওয়ালা উত্তর দেয় না। সদ্য ঢাকায় আসা রিক্সাওয়ালার চোখে একটু মায়া। সেই মায়াটুকু সুমনকে ভাবালু করে তোলে। সুমন ৮ টাকার ভাড়া ১০ টাকা দেবার প্রস্তাব দেয়। সুমন ভাড়া বেশি দেয়ার কথা বলে আর ভাবে, কেন বললো বেশি ভাড়ার কথা? একটি পলমল সিগারেটের নেশার চাইতে রিক্সাওয়ালার মায়াভরা চোখের চাহনি বেশি নেশা ধরালো? নাকি মামা বলে ডাকার কারণে এই বিপত্তি, ঠিক বুঝতে পারে না সুমন। সে তার একমাত্র মামার সাথে রিক্সাওয়ালা মামাকে মেলানোর ব্যর্থ চেষ্টা করে চলে, পারেনা। মামা ডাকের মধ্যে কোথায় যেন একটা পার্থক্য খুঁজে পায় । কিন্তু কোনভাবেই ফারাকটা ধরতে পারেনা। মামায় মামায় ঘর্ষণে রড ঝালাইয়ের মতো কি যেন ছড়িয়ে পড়ে সুমনের ভাবনার উঠোনে। এক মামায় আছে সম্মান, আছে নিজস্বতা আর অন্য মামায় আছে করুণা। আছে সুপিরিওরিটি কমপ্লেক্স; কমপ্লেক্সের ঊর্ধ্বমুখী পাঁক সুমনকে সচেতন করে তোলে অল্প সময়েই। সমীকরণ মিলে গেলে পলমল সিগারেটের নেশা আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠে তার। আরে, ৮ টাকার ভাড়া ১০ টাকা দিবো কেন? ঐ দুই টাকা তো আমার। পলমল সিগারেটটাও তো আমিই খাবো... ভাবনা শেষ হবার আগেই নীলক্ষেতের রয়েল তেহারির ঘ্রাণ পকেট ফাঁকা থাকার কারণে বিচ্ছিরি ঠেকে সুমনের নাকে। টিউশনির স্বল্প বেতনে মাস কাবার করা সুমন তার কথা রাখতে পারে না। ১০ টাকার কথা বললেও ৮ টাকাই দেয়। তেহারির বাজে গন্ধ মেজাজ খারাপ করে দেয়, কপাল যায় কুঁচকে। রিক্সাওয়ালা ৮ টাকাই নেয়, কিছু বলে না । শুধু মাথা ঝাঁকিয়ে পানখাওয়া লাল দাঁতের কালচে ময়লা সুমনকে উদ্দেশ্য করে হাসে। সুমনের গাঁ রি রি করে ওঠে। রিক্সাওয়ালার হাসি বড্ড অশোভন বোধ হয় সুমনের।

ভিআইপি লেখা ২৭ নং বাসে সে প্রত্যেক দিন সামনের সিটে বসার চেষ্টা করে।
ড্রাইভারের বাম দিকের প্রথম সিটটা ওর খুবই পছন্দের। নিয়মিত যাতায়াতের কারণে কোন কোন হেলপার সুমনের মুখ চেনে।
‘আচ্ছা ভাই, আপনি সব সময় ঐ সামনের সিটটাতে বসেন কেন?’ -দেলোয়ার নামের এক হেলপার একদিন প্রশ্ন করে বসে।
সুমন হাসতে হাসতে উত্তর দেয়- ‘আরে, তোদের গাড়ির নামটা আমার খুব পছন্দ। দেখিস না, কি লেখা?’
দেলোয়ার সুমনের কথা বুঝতে পারেনা। সুমন ভিআইপির অর্থ বুঝিয়ে দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের জ্ঞানের গভীরতা দেখে দেলোয়ার আবাক হয়। আর ভেতরে ভেতরে তার অতৃপ্ত মন ঐ সুবিধাপ্রাপ্ত ছাত্রকে শত্রু ভাবে। কিন্তু এই ভাবনা ক্ষীণ হয় সুমনের পরবর্তী ব্যাখ্যা শুনে— ‘ভিআইপি লেখাটা ঠিক আমার সামনে` তার মানে বুঝলি? আমি এখানে সবচেয়ে বড় ভিআইপি।’

‘সরি রিফাত, আই এ্যাম লেট টুডে।’
ইংলিশ মিডিয়ামের ছাত্র রিফাত। আজ খুবই উচ্ছল দেখাচ্ছে ওকে। চোখ মুখ চিকচিক করছে। মুখ দিয়ে কথার খই ফুটছে।
‘স্যার, আজকে পড়বো না, আপনার সাথে...’
কথা শেষ করতে পারে না রিফাত। তার আগেই রিফাতের মা ট্রে হাতে ঘরে ঢোকেন। তিন-চার পদের মিষ্টি, কোকের একটা বোতল, অনেক ছোটখাটো নাস্তা আজ ট্রেতে শোভা পাচ্ছে।

সংবাদটা দেয়ার জন্য রিফাত স্যারের কাছ থেকেই প্রশ্ন আশা করছিলো। কিন্তু
আশা পূরণ না হওয়ায় রিফাতই উলটো প্রশ্ন করলো—
‘স্যার, বলেন তো আজকে কেন এতো আয়োজন?
কয়েকটা উত্তর দেয়ার পরও সুমন সঠিক উত্তর দিতে পারলো না। বেলুনে চেপে রাখা বাতাস হঠাৎ করে ছেড়ে দিলে যেমন হুড়োহুড়ি করে বের হয়, ঠিক তেমনি গড়গড় করে রিফাত বলে ফেললো—
‘স্যার, আব্বু আজ গাড়ি কিনেছে। গাড়ির নাম টয়োটা-প্রোবক্স।’
কোকের গ্লাসে ঠোট ডুবিয়ে ক্লান্ত সুমন কোথায় যেন হারিয়ে যায়। কোক থেকে ঠোট তুলে সুমন তৃপ্তির ঢেঁকুর ছাড়ে। সুমনের চোখের সামনে ভেসে উঠলো টয়োটা প্রোবক্স গাড়ি। ড্রাইভারের পেছনের সিটে সে আধশোয়া হয়ে বসে আছে, হাতে বেনসন সিগারেট। সুমনের পলমল সিগারেট কল্পনায় বেনসন হয়ে যায়।
‘এখন আর আমার সামনে ভিআইপি লেখা থাকার দরকার নেই।’

সুমন এখন খুব চার্মে আছে । শারীরিক অবসাদকে তার মধ্যবিত্তীয় মানসিক প্রশান্তি পরাজিত করেছে। ``প্রোবক্স`` নামটাই বেশ স্মার্ট। pro+box = probox  বিড়বিড় করে, মানে ঠিক বক্স না, আবার বক্সের মতোই। ও নিজেই নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করে প্রোবক্স গাড়ির স্মার্টনেস। সিদ্ধান্ত নেয় আজ কে নীলক্ষেত পর্যন্ত হেঁটে যাবে আর গুনে দেখবে এটুকু দূরত্বে কতগুলো টয়োটা প্রোবক্স দেখা যায়। কি কি কালার, সাদা রঙটা কেনো অন্যান্য রঙের
গাড়ির চাইতে সুন্দর...। হাজারো গুন খুঁজে বের করতে ব্যাস্ত হয়ে পড়ে সুমন। শালা, আংকেল আসলেই ট্যালেন্টেড, আবার কালার সিলেকশনটাও সুন্দর। সাদা রঙ তাপ প্রতিরোধ করে জেনেই সাদা প্রোবক্স কিনেছে। বস লোক। সাদা রঙয়ের প্রোবক্স গাড়ির সাথে যখন কোন গাড়িই আর পেরে উঠছে না, তখন সুমনের মাথায় সিগারেটের নেশা চাড়া দেয়। স্বভাববসত, দোকানদারকে পলমল দেয়ার কথা বলার সাথে সাথে তার চোখে ভেসে ওঠে টয়োটা প্রোবক্স গাড়িতে ড্রাইভারের পেছনের বাম দিকের সিটে বসা বেনসন হাতে নিজের ছবি। সুমন পলমল বাদ দিয়ে বেনসন নেয়। সিগারেট হাতে হাঁটা শুরু করে, কিন্তু সুমনের চোখ থাকে গাড়ির দিকে। ডানের রাস্তা, বায়ের রাস্তা, সামনের রাস্তা, থামানো গাড়ি, চলন্ত গাড়ি সব দিকে সুমনের চকচকে চোখ খুঁজে বেড়ায় সাদা রঙের টয়োটা প্রোবক্স। অনেকক্ষণ পরও যখন প্রোবক্সের দেখা পাওয়া যায় না, তখন সুমনের আনন্দ ও প্রশান্তি দ্বিগুণ থেকে তিনগুন, চার গুন...
‘আরে শালা, আংকেল তো ব্যাপক লোক! একদম রেয়ার গাড়ি কিনেছে।’— মনে মনে সুমন আংকেলকে বাহাবা দেয়।

নীলক্ষেতের কাছাকাছি এসেও যখন একটাও টোয়োটা প্রোবক্স দেখতে পেল না, তখন সুমনের ভিন্ন একটা চিন্তা মাথায়। প্রোবক্স গাড়ি রেয়ার ঠিক আছে, কিন্তু কেও যদি চিনতেই না পারে তাহলে তার আনন্দ শেয়ার করবে কার সাথে? সুমন প্রাণপণে খুঁজতে লাগলো। একটা গাড়িও যেন মিস না হয়। বিকট হর্নের শব্দ সুমনের কাজে ছেদ ঘটালো। বিরক্ত, রাগান্বিত হয়ে পিছনে তাকিয়ে ব্যাপক একটা ঝাড়ি দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে— এমন সময় পেছন থেকে রিফাতের ‘স্যার’ সম্বোধন শুনতে পেলো। এতক্ষণের প্রতীক্ষার আবসান যে এইভাবে হবে সেটা সে আশা করেনি। রিফাত জানালার গ্লাস নামিয়ে সুমন কে সুযোগ করে দিল অন্য লোকদের কাছে নিজেকে কিছুটা ভিআইপি প্রমাণিত করার। ফুটপাত দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পাবলিকের সাধারণ দৃষ্টি সুমনের কাছে অস্বাভাবিক মনে হলো। যেন প্রত্যেকটা লোকের দুই চোখ থেকে দুটা করে হিংসার বাণ সুমনের দিকে ছুটে আসছে। আর সুমন সেই অজস্র হিংসাত্মক দৃষ্টির সামনে দাঁড়িয়ে আরো উঁচুতে উঠতে থাকে, যাতে সেই দুই চোখের সংখ্যা আরো বাড়ে। দ্বিগুণ, তিনগুন, চারগুন...

সুমন রিফাতের কাছে জানতে চায়, ‘কখন রওনা দিলে?’
রিফাত এই প্রশ্নের উত্তরে বলে, ‘মাত্র ১৫ মিনিট’

এ কথা বলার পর সুমন টয়োটা প্রোবক্সের অভাবনীয় দ্রুত গতি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। হেঁটে হেঁটে এক ঘন্টা ধরে ফেরার, কথাটা গোপন করে সুমন।

‘৫-১০ মিনিট পরেই নীলক্ষেতের বইয়ের দোকান বন্ধ হয়ে যাবে। তাই আর সময় দিতে পারলাম না।’ রিফাত ড্রাইভারকে যেতে বলে সুমনের কাছ থেকে বিদায় নেয়।

রিফাত চলে গেলে সুমন প্রোবক্সের দিকে চেয়ে হিসাব করে ১৫ মিনিটে যদি সুমনের ১ ঘন্টা হয়, ৫ মিনিট সমান কতো হবে? হিসাব মেলাতে মেলাতে কল্পনাতে আর একটা বেনসন
সিগারেট খায় টয়োটা প্রোবক্সের ড্রাইভারের পেছনের বাম দিকের সিটে বসে। সেখানে ২৭ নং
গাড়ির মতো ভিআইপি লিখে রাখার দরকার হয় না।

রিক্সায় করে হলে ফেরার বিলাসিতা সুমন মাসের শুরুতেই একবার দুইবার করতে পারে। আর পুরো মাস ২৭ নং বাসের রডঝোলা হয়ে হলে ফেরা। আজ টয়োটা-প্রবক্স দর্শনের আনন্দে বাসে উঠতে মন সায় দেয়নি। প্রায় ঘণ্টা দেড়েক সময় পায়ে হাঁটার ভয়ানক ক্লান্তি সুমনকে অবসাদগ্রস্ত করে ফেলেছে। তিন থেকে চার বছর আগে দাদার মৃত্যুর সংবাদ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় এই রকম হেঁটেছিলো সুমন। অনেক রাতে মৃত্যু হয় দাদার। যানবাহনের অভাবে ঐ হাঁটা হাঁটতে হয়েছিলো। ভাবতে ভাবতে ওর চোখের সামনের ফেরিওয়ালা ঝাপসা হতে থাকে। সেই দিনের হাঁটা আর আজকের হাঁটার মধ্যে সুমন একই সাথে পার্থক্য ও সাদৃশ্য খুঁজে পায়। দুটি পরস্পরবিরোধী ঘটনার স্মৃতি সুমনকে আচ্ছন্ন করে ফেলছে এখন। কিন্তু একটা স্মৃতি তার নিজস্বতা ও দু:খবোধের মধ্যেও শক্তি যোগায়। প্রয়াত দাদার শুভ্র গুম্ফদাড়ি মেঘের মতো সুমনকে ঘিরে রাখে। আর আজকের সদ্যপ্রাপ্ত স্মৃতির সাথে কেন  তিন থেকে চার বছর আগের সেই কষ্টের স্মৃতি জড়িয়ে যাচ্ছে? এতোদিন তো দাদার স্মৃতি এভাবে মনে ছায়াপাত করেনি সুমনের! তাহলে আজকের আনন্দটা কি কাল্পনিক? এই দুই স্মৃতির সাথে সম্পর্ক কী? যে মোহাচ্ছন্নতা তাকে এতক্ষণ তাড়িয়ে বেড়িয়েছে সেটা কি তার নিজের ভ্রান্তিবিলাস? দাদার স্মৃতি কি ফিরে এসে তাকে কোন পথ দেখাতে চায়? ভাবতে ভাবতে বিপর্যস্ত সুমন। কল্পনায় চেঞ্জ করা বেনসন বাদ দিয়ে নিজের ঘামে ভেজা শার্টের পকেট থেকে পলমল বের করে ধরায় সুমন। পলমলের ধোঁয়া কুণ্ডলি পাকিয়ে জানালার বাইরে গিয়ে মিলিয়ে যায়। সিগারেটের ধোঁয়ার নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখতে দেখতে পলমল সিগারেটেরই স্বাদ উপভোগ্য হয়ে ওঠে। পলমল কে গ্রহণ করার মতো সামর্থ্য বা বাস্তবতা সুমনের আছে। এই কারণেই হয়তো পলমলকে এতটা আপন মনে হচ্ছে সুমনের। ঠিক যেমন রাতের নির্ঘুম বিছানায় তার কলেজ পড়ুয়া মামাতো বোন শেফালি যত অনায়াসে কল্পনায় মফস্বলি স্নিগ্ধতা ছড়ায়, হিন্দি সিনেমার ছুরির মতো ধারালো নায়িকা মল্লিকার স্বপ্নও তা পারেনা। ওর ভাবনা গুলো পাঁক খেয়ে পলমলের ধোঁয়ার সাথে মিশে যায়। রিং বানানো বাঁধাপ্রাপ্ত হয় ডিপার্টমেন্টের ভবঘুরে বন্ধু প্রতুলের ডাক শুনে। প্রতুলকে দেখলে একটা ঘটনার কথা মনে পড়ে যায় সুমনের। একবার ক্লাসের এক ডিজুস মেয়ের গাড়িতে প্রতুল প্রস্রাব করে দিয়েছিল। সেটা নাকি ‘ননী-মাখন খাওয়া মাংসপিণ্ডদের’ বিরুদ্ধে জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। এটি ফার্স্ট ইয়ারের ঘটনা। প্রতুল এখন অনেক যৌক্তিক চিন্তা করে। সেই ক্ষোভকে প্রতুল এখন সংগঠিত করার কাজে ব্যাস্ত। সুমনের আজ প্রতুলকে অনেক আপন মনে হয়। ও নিজেকে প্রতুলের জায়গায় কল্পনা করতে চায়। চোখের সামনে ভেসে ওঠে সুমনের ক্ষোভ, অপ্রাপ্তি, অনিশ্চয়তা মিশ্রিত প্রস্রাবে প্লাবিত রিফাতের বাপের সাদা রঙের টয়োটা-প্রোবক্স।

বাংলাদেশ সময়: ১৮০৫ ঘণ্টা, ০৪ জুলাই, ২০১২
সম্পাদনা: এম জে ফেরদৌস

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Bookmark and Share
REVE Systems
VISA Center Inc
Holy Hajj BD
RehabHousing.com

শিল্প-সাহিত্য

8877
Kaspersky Lab - Antivirus Software [ Bangladesh ]
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম | এডিটর-ইন-চিফ: আলমগীর হোসেন

ফোন: +৮৮০ ২ ৮৪০২১৮১, ৮৪০২১৮২ আই.পি. ফোন: +৮৮০-৯৬১২১২০০০০ নিউজ রুম সেল: +৮৮-০১৭২৯০৭৬৯৯৬, ০১৭২৯০৭৬৯৯৯ ফ্যাক্স: +৮৮০ ২ ৮৪০ ২৩৪৬
ইমেইল: news.bn24@gmail.com, editor.banglanews@gmail.com, editor@banglanews24.com    বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম    এডিটর-ইন-চিফ: আলমগীর হোসেন

বাংলায় লেখা হলে ইউনিকোডে পরিবর্তন করে ইমেইল করুন    কপিরাইট © 2013 সকল স্বত্ব ® সংরক্ষিত    একটি ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান