 |
| ছবি: শেখ নাছির/বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
সিলেট: মানবতা বিরোধী অপরাধে কাদের মোল্লার রায় হওয়ার পর সিলেটে আনন্দ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ।
রায়ে আওয়ামী লীগ অসন্তুষ্ট হলেও আনন্দ মিছিলে দেওয়া বক্তব্যে মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মেয়র কামরান আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
এদিকে তাৎক্ষণিকভাবে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের অনেক নেতা- কর্মী আনন্দ মিছিলে যোগ না দেওয়ায় ছাত্রলীগ- যুবলীগের কয়েকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
এক পর্যায়ে সিটি মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের উপস্থিতিতে পুলিশের লাঠি কেড়ে নিয়ে জামায়াত- শিবির ক্যাডার ধরে আনতে বের হন তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার দুপুর ১টায় সিলেটের কোর্ট পয়েন্টে মহানগর আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি আসাদ উদ্দিনের পরিচালনায় বক্তব্য দিতে শুরু করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। ঘটনাটি ঘটে ওই সময়। একপর্যায়ে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির সামনে গিয়ে মেয়র কামরান বক্তব্য থামিয়ে বিক্ষুব্ধদের নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ছাত্রলীগ– যুবলীগের কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, ‘‘তাদেরকে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে স্লোগান ও মিছিল দিতে বারণ করেন আওয়ামী লীগ নেতারা।” এক্ষেত্রে তারা ক্ষুব্ধ।
এসময় রাস্তার পাশ দিয়ে পুলিশ জামায়াতকর্মী সন্দেহে একজনকে আটক করে নিয়ে যেতে দেখলে লাঠি হাতে আটকে মারতে দৌড় দেন ছাত্রলীগ– যুবলীগের কয়েকজন কর্মী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এসময় পুলিশও বন্দরবাজার ফাঁড়ির দিকে আটককে দ্রুত নিয়ে যায়। কিন্ত পেছন থেকে কয়েকজন বিক্ষুব্ধ ছাত্রলীগ, যুবলীগকর্মী পুলিশের লাঠি ও বন্দুক কেড়ে নিয়ে হামলার চেষ্টা করেন।
এ অবস্থা দেখে বক্তব্য বন্ধ করে বিক্ষুব্ধদের থামাতে যান বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। তিনি তাদের শান্ত করেন। এসময় আবারো বক্তব্য দেওয়া শুরু করেন তিনি।
কামরান বলেন, “আদালত যে রায় দিয়েছেন তা সঠিক হয়েছে। তবে যারা এ রায় বানচাল করার চেষ্টা করছে তাদের ষড়যন্ত্র মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।”
মেয়র কামরান আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার এভাবেই সম্পন্ন হবে। বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের কোনো ঠাঁই নেই।”
বাংলাদেশ সময়: ১৫০৪ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০১৩
এসএ/সম্পাদনা: মীর সানজিদা আলম, নিউজরুম এডিটর, সুকুমার সরকার, কো-অর্ডিনেশন এডিটর