 |
চট্টগ্রাম: বন্দর নগরী চট্টগ্রামে এক লাখ মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল আটকের ঘটনায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সুমন, রিপন ও পরিমল নামে তিন ব্যক্তিকে খুঁজছে। বিপুল পরিমাণ ফার্নেস অয়েল পাচারের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। ফার্নেস অয়েল আটকের ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছে তারা।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে ফার্নেস অয়েল ও বিটুমিন পাচারে চিিহ্নত ৮ প্রতিষ্ঠান প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে গোয়েন্দারা খোঁজ খবর নিচ্ছে। সুমন, রিপন ও পরিমল ফার্নেস অয়েল পাচারে জড়িত তিন প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী বলেও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিশ্চিত হয়েছে।
গত ২০ মে র্যাবের হাতে আটক পদ্মা অয়েলের পতেঙ্গার ডিপো থেকে ডেলিভারি নেওয়া ১১টি ভাউচারের (লরি) চালান যাচাই করে দেখা যায়- সুমন ও রিপন নামের দুই ব্যক্তি সবগুলো চালানে স্বাক্ষর করেছে।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ফার্নেস অয়েল পাচারের ঘটনায় জড়িত সুমন, রিপন ও পরিমল নামের যে তিন জনের নাম উঠে এসেছে তাদের মধ্যে সুমন আইএমএস গ্রুপের কর্মচারী, রিপন ‘সুচনা এন্টারপ্রাইজ ও পরিমল সৈয়দ অ্যান্ড ব্রাদার্সের কর্মচারী ।
চট্টগ্রামের আনুমাঝির ঘাটে ফার্নেস অয়েলের চালান আটকের ঘটনা তদন্তে এরই মধ্যে জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
বিপিসির সূত্র জানায়, বিপিসির পরিচালক (বিপনন) নুরুল আলমকে আহবায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়। কমিটির অপর সদস্যরা হলেন- মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) গিয়াস উদ্দিন আনসারি ও মহাব্যবস্থাপক (বিপনন) আবু হানিফ।
র্যাব-৭ এর একটি টিম বুধবার পদ্মা অয়েলের পতেঙ্গা ডিপোতে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ফার্নেস অয়েল বিপননের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বলে র্যাব সূত্র জানায় ।
বাংলাদেশ সময়: ২২৩৪ ঘণ্টা, মে ২৩, ২০১২
টিসি/ জেডএম