 |
হাতিয়া থেকে: শনিবার ঘূর্ণিঝড়ে দুর্গত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। এ সময় তারা দুর্গতদের বিভিন্ন সহায়তাও প্রদান করেন। তবে এ সহায়তা একেবারেই অপ্রতুল বলে অভিযোগ করেছেন দুর্গতরা।
শনিবার সকাল থেকেই দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে বেরিয়ে পড়েন উপজেলার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবুল খায়ের রাতুল ও ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা খানম। তবে উপজেলা চেয়ারম্যান হজে যাওয়ায় তিনি অনুপস্থিত ছিলেন।
হাতিয়ার তমরদ্দি, চরচেঙ্গা ও জাহাজমারার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল খায়ের রাতুল বাংলানিউজকে বলেন, “সবখানেই দুর্যোগের ছাপ। অনেকেই খুব কষ্টে দিনাতিপাত করছে। আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্বেও আমরা সাধ্যমতো সহায়তা করার চেষ্টা করেছি।”
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা খানম বাংলানিউজকে বলেন, “উপজেলার পরিষদের তহবিল ছাড়াও নিজস্ব তহবিল থেকে আমরা অনেক স্থানে অধিক দুর্গতদের সহায়তা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে আশা করছি, দাতা সংস্থাগুলো ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসবে।”
এদিকে চরকিং ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন সেখানকার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও হাতিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনিও ব্যক্তিগতভাবে দুর্গতদের সহায়তা করেন বলে জানান। বাংলানিউজকে তিনি বলেন, “কেবল সরকারি সহায়তা দিয়ে কোনোভাবেই এতোবড় দুর্যোগ মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। এজন্য ব্যক্তিগতভাবেও এগিয়ে আসতে হবে।”
জাহাজমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম নিঝুমদ্বীপসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি দুর্গত মানুষদের খোঁজ খবর নেন। বাংলানিউজকে তিনি বলেন, “ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো সঠিকভাবে নিরূপন করা যায়নি। অতীতে দুর্যোগে এতো বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।”
সুখচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন দুর্গত এলাকা ঘুরে বাংলনিউজকে বলেন, “যে হারে ফসল ও গাছ গাছালির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে হারে মানুষ আহত কিংবা হয়নি। এটা সৌভাগ্যের বিষয়। তবে এই ধাক্কা সামলিয়ে উঠতে অনেকদিন লাগবে।”
এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহিদুর রহমান, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোক্তার হোসেনও ঘূর্ণিঝড়ের পর দুই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন।
বাংলাদেশ সময়: ২২০৭ ঘণ্টা, অক্টোবর ১৩, ২০১২
এমএ/এজে