 |
সম্প্রতি প্রকাশিত হলো সাংবাদিক রঞ্জন সেনের লেখা বই ‘এশিয়ান গেমসে চায়না দর্শন।
বইটির মূল বিষয় ২০১০ সালের নভেম্বরে চীনের গুয়াংজুয়ে অনুষ্ঠিত ১৬তম এশিয়ান গেমস হলেও, এটাকে ঠিক খেলার বই বলা যাবে না। বরং এ বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে চীনের উন্নয়ন ও চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের নানা দিক।
গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীন। ২০০৮ সালে বেইজিং অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহণকারী ২১২টি দেশের জাতীয় সঙ্গীতের মধ্যে ‘আমার সোনার বাংলা’ দ্বিতীয় সেরা নির্বাচিত হয়েছিল। সেই চীনের মাটিতেই রবি ঠাকুরের গানকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ক্রিকেটাররা।
অবশ্য এশিয়ান গেমসের বহু আগে থেকেই চীনের ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের কয়েকজন। চীনাদের ক্রিকেট শেখাচ্ছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও সাবেক পেসার মঞ্জুরুল ইসলাম। আর সার্বিক তদারকিতে আছেন এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল-এসিসি প্রধান নির্বাহী সৈয়দ আশরাফুল হক। চীনের ক্রিকেট আকাঙ্ক্ষাকে নানাভাবে কাজে লাগাচ্ছে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ভারত আর পাকিস্তান।
বাংলাদেশ কীভাবে ক্রিকেট কূটনীতি করে আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা নিতে পারে, তার ধারণা দিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। তবে, মূল উদ্যোগ নিতে হবে রাষ্ট্রনায়কদের।
খেলার মাধ্যমে কত বড় কূটনীতি হতে পারে, তার সেরা নিদর্শন সম্ভবত পিং পং ডিপ্লোম্যাসি। তেমন চীনের সাথে হতে পারে বাংলাদেশের ক্রিকেট কূটনীতি। চীন-ভারত সম্পর্কের মধ্যস্থতাকারী হয়েও নিজের গুরুত্ব বাড়িয়ে তুলতে পারে বাংলাদেশ।
‘এশিয়ান গেমসে চায়না দর্শন’-এ বলা চলে স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসিই হয়ে উঠেছে মূল বিষয়বস্ত।
রঞ্জন সেনের ‘এশিয়ান গেমসে চায়না দর্শন’ বইটি প্রকাশ করেছে পারিজাত প্রকাশনী, প্রচ্ছদ করেছেন মাসুক হেলাল। মূল্য ১৫০ টাকা।
বাংলাদেশ সময় ১৬৩০, মে ২১, ২০১২
সম্পাদনা : ফেরদৌস মাহমুদ, শিল্প-সাহিত্য সম্পাদক