মহাশূন্য
ও শূন্য! এ বিশ্বে
কার জন্য
তুই এত?
শূন্য! শূন্য!
নদী
নদীটা গভীর কিনা
দেখতে ইচ্ছে হয়
আমি সাহস পাইনা
আমার ডুবে যাবার ভয়!
প্রকৃতি
সূর্য ওঠে। ফুল ফোটে।
ধানক্ষেতে ধান হয়। তারা হাঁটে।
পাখি গায়। ভেড়া মাঠে। ঘাস খায়। তার ফাঁকে। তার ফাঁকে।
তার ফাঁকে। একটা গরু খালি আরেকটা গরুকে ডাকে।
সুরতহাল
আত্মীয়ের কাছে টাকা ধার চেয়ে পত্র লিখেছিলাম।
ভুল করে সেটা আমার আততায়ীর হাতে চলে যায়।
আততায়ী আমাকে আত্মীয় মনে করে টাকা পাঠায়।
ফি বাবদ যে টাকা.. সে আত্মীয়ের কাছ থেকে পায়!
বাজার
বাজারে যাই। বাবা এক হাত দিয়ে আমাকে ধরেন। অন্য হাতে থলি।
বাবা পুঁইশাক কেনেন। আমি তাঁকে খাসির মাংস কেনার কথা বলি।
বাবা বলেন, খাসির ভেতর আজকাল কুকুরের মাংস মেশানো থাকে।
আমার বিশ্বাস হয়না। তবুও। কেমন করে মিথ্যুক বলা যায় বাবাকে!
বন্দী
যারা বন্দী, যারা পরাধীন, তারা আকাশ দেখতে পায় না
আকাশের বদলে তারা ছাদ দেখে। প্রতিদিন একই ছাদ!
যারা মুক্ত, যারা স্বাধীন, তারা গারদের ছাদ দেখতে পায়না
ছাদের বদলে তারা আকাশ দেখে। প্রতিদিন একই আকাশ!!
প্রাণী
পানির অপর নাম প্রাণ।
নদী ভরা পানি। নদী তবুও প্রাণী না।
হয়ত অপ্রাণী। বা জড় পদার্থ।
আমি বুঝিনা এসব কবিতার অর্থ!
চাকুরী
ঘণ্টা
বাজে
আমি যাই কাজে
এ যাওয়া কুত্তার মতন বাজে!
ক্লান্ত ছায়া
পা চলে না আর। পথ তবু চলে।
ছায়া গাছেরে ঘামের গল্প বলে। আর এ প্রার্থনা করে,
“না হেঁটে খাবার খুঁজে পায় যেন জগতের সব প্রাণী।”
ওম ক্লান্তি! ওম ক্লান্তি! ওম ক্লান্তি!
বাংলাদেশ সময়: ১৫৩১ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১২