 |
ঢাকা: নিত্যদিনের ঘাত-প্রতিঘাত, সংঘাতে বিপর্যস্ত যে জীবন; আমাদের সেই পর্যুদস্ত জীবনের কাছে কী প্রয়োজন কবিতার? সামাজিক-সাংসারিক টানা-পোড়েন, আশা-হতাশার দোলাচল, আরও আরও সিঁড়ি ভেঙে টেনে চলা নাগরিক কর্মচঞ্চলতা। কী আবেদন কবিতার, আমাদের এই একঘেয়ে জীবনে? হতাশায় ম্রিয়মাণ মানুষের চোখে কী আশার সঞ্চার করে কবিতা? কাঠফাটা রোদের আঁচ, কিংবা নাড়ার দহনে জ্বলা মানুষের বিমর্ষ-বিবর্ণ জীবনের এই রূপের বিপরীতে কবি কি সন্ধান দিতে পারে সবুজ কোন দিগন্তের? কবিতা পাঠে অন্য রং-রূপ-আলোয় ভরে কি ওঠে মানুষের মন?
ভীষণ আক্ষেপ করে জীবনানন্দ দাশ এক চিঠিতে লিখেছিলেন “প্রত্যেক সৎ কবিই তাঁর নিজের কবিতার নির্ভরযোগ্য সমালোচক; সেই হিসেবে নিজের কাব্য বিশ্লেষণ করে এদের প্রত্যেকেরই দীর্ঘ প্রবন্ধ লেখা দরকার।”
আমাদের প্রত্যাশাও জীবনানন্দ দাশের মতোই। আর তাই বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কমের আয়োজন ‘কবিতাতর্ক: কবিতা কেন’। কবিদের আড্ডায় কবিদের কথায় উঠে আসুক কবির স্বনির্মিত কাব্য ভুবনের প্রশ্নোত্তর।
আর এই তর্কে কবিতাপ্রিয় পাঠক আপনিও আমন্ত্রিত। আমাদের সঙ্গে অংশ নিন অনলাইনে।
শনিবার সন্ধ্যা ৬ টায় রাজধানীর পরিবাগে সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে তরুণ কবিরা বসছেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৩৩৮ ঘণ্টা, জুন ১৬, ২০১২
এমজেএফ/সম্পাদনা: রানা রায়হান, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর