 |
| ছবি: নাজমুল হাসান/বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
রংপুর থেকে: টানা তৃতীয়বারের মতো কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন ফরিদা কালাম। রংপুর সিটি করপোরেশনের (রসিক) ২৮, ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে নবনির্বাচিত এ কাউন্সিলর প্রার্থীর বাসায় শুক্রবার সারাদিন ছিল সমর্থকদের ঢল।
ফরিদা কালাম ১৯৯৯ সালে প্রথম রংপুর পৌরসভার (১৩, ১৪ ও ১৫) ওয়ার্ড কমিশনার নির্বাচিত হন। এরপর তিনি মনযোগী হন উন্নয়নে। বাল্যবিয়ে রোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে রয়েছে চোখে পড়ার মত সাফল্য। আর এ কারণে তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। দ্বিতীয় দফায় ২০০৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কমিশনার নির্বাচিত হন।
এবার প্রার্থী হন নবগঠিত রংপুর সিটি করপোরেশনের ২৮, ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে (সংরক্ষিত) কাউন্সিলর হিসেবে।
এবার তার বিপরীতে আরও ৫ প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু ভোটের ফলাফলে দেখা গেছে, জনপ্রিয় ফরিদা কালাম সব প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের চেয়েও বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
এই ওয়ার্ডে ফরিদা কালাম মোট ভোট পেয়েছেন ১২ হাজার ১৮৫টি আর অন্য ৫ প্রার্থী পেয়েছেন মোট ১২ হাজার ১শ’ ভোট।
ভোটের ফলাফলে উচ্ছ্বসিত তার কর্মী ও সমর্থকরা। বাদ যাননি পেশাজীবী ফোরামের নেতারাও।
রংপুর শহরের তাজহাটে নিজের বাড়িতে দুপুর থেকেই ভিড় লেগে ছিল শুভেচ্ছা জানাতে আসা শুভাকাঙ্খীদের। সন্ধ্যায় গিয়ে দেখা যায় একই দৃশ্য। তখনও চলছিল ফুলেল শুভেচ্ছা ও মিষ্টি মুখ করানো পর্ব।
রংপুর জেলা পিকআপ মালিক সমিতির নেতারা তার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় পিকআপ মালিক সমিতির সভাপতি সৈয়দ বোরহান কবির, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম, সহ-সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান বিদ্যুৎ, কোষাধ্যক্ষ রাশেদুল ইসলামসহ সংগঠনের কার্যকরী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পিকআপ মালিক সমিতির নেতারা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তার ভালো কাজে সঙ্গে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
এ সময় কাউন্সিলর ফরিদা কালাম বলেন, “আমার প্রথম কাজ হবে অবকাঠামোর উন্নয়ন।” এছাড়া, বাল্যবিয়ে রোধ ও দারিদ্র্য বিমোচনে নেতাদের সহযোগিতা চান তিনি।
তিনি বলেন, “আপনারা সহযোগিতা করে আমাকে নির্বাচিত করেছেন। আপনাদের সহযোগিতা অারও জোরদার করতে হবে এগিয়ে যাওয়ার জন্য।”
কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল বাতেনও এসেছিলেন তাকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য। এ সময় ফরিদা কালাম বাংলানউজকে বলেন, “আমার প্রতিদ্বন্দ্বীরা যে পরিমাণ ভোটই পাক সেটি বড় বিষয় নয়। আমি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “কে ভোট দিয়েছেন আর কে দেননি তা বড় বিষয় নয়। আমরা সকলে এক হয়ে উন্নয়নে মনযোগ দিতে চাই।”
বাংলাদেশ সময়: ২০১৫ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২১, ২০১২
এআর/এমআইআর/ইএস/ সম্পাদনা: জয়নাল আবেদীন, নিউজরুম এডিটর ও অশোকেশ রায়, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর- eic@banglanews24.com