 |
খুলনা: ছাত্রের খুব ভালো রেজাল্টেও শিক্ষক প্রবল উচ্ছ্বাস দেখান না। ছাত্রকে আরও ভালো করার তাড়া দেওয়াই বাংলাদেশের শিক্ষকদের মানসিকতা। সিলেট রয়্যালসের কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনও তাঁর ক্রিকেট শিষ্যদের ভালো খেলার তাড়া দিচ্ছেন। মুশফিকুর রহিমদের কাছ থেকে নিখুঁত পারফরমেন্স চান তিনি।
শুক্রবার ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরসের বিপক্ষে ৮ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটে জিতলো সিলেট রয়্যালস। দলের টানা চতুর্থ জয়েও খুশি দেখালো না কোচ সালাউদ্দিনকে,‘খুব ভালো খেলছি না আমরা। এখনো ব্যাটিংয়ে দুর্বলতা রয়ে গেছে। ওপেনিং জুটি বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারছে না। ওখানে কিছুটা কাজ করার আছে।’
ওপেনিংয়ে দুই বিদেশি হ্যামিলটন মাসাকাদজা ও পল স্টারলিং খেলেছেন। তাদের জুটি ভেঙ্গেছে ২ রানে। জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যান মাসাকাদজা এক রানে থমাসের শিকার। পল স্টারলিংও ১৮ রান নিয়ে সাজঘরে ফিরেছেন। কিন্তু পরের দুটো জুটিতে দারুণ ব্যাটিং করেছে সিলেট। মমিনুল হক ও মুশফিক ৭৯ রান তোলেন ৬১ বলে। মমিনুল ৩৭ রানে স্পিনার সাকলাইন সজিবের বলে লং অনে ক্যাচ দিয়েছেন ড্যারেন স্টিভেন্সের হাতে। নাজমুল হোসেন মিলন ও মুশফিকের চতুর্থ জুটি অবিচ্ছিন্ন ৫৫ রান করে ৩৪ বলে। অধিনায়ক ৭৫ রানের দর্শনীয় ইনিংস খেলেন ৫০ বলে, ৩ চার ও ৪ ছয়ে। ম্যাচ সেরাও তিনি।
সিলেটের কোচ ব্যাটিং নিয়ে চিন্তিত থাকলেও দলের বোলিং-ফিল্ডিংয়ে খুশি। সালাউদ্দিন সেটা বললেনও,‘ফিল্ডিং খুবই ভালো হয়েছে, মাসাকাদজা অসাধারণ দুটো ক্যাচ নিয়েছে। ছেলেরা বোলিংও ভালো করেছে। এজন্যই ম্যাচটা জিতেছি।’
গ্ল্যাডিয়েটরস আগে ব্যাটিংয়ে গিয়ে ৮ উইকেটে ১৫২ রান করে। শক্তিশালী বোলিং লাইনআপ নিয়েও মমিনুল, মুশফিক, মিলনকে টলাতে পারেনি।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৩০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৫, ২০১৩
এসএ