ঢাকা: ২০১১-১২ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৬২ শতাংশ। যা গত ৩ অর্থবছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগের অর্থ বছরের গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৮০ শতাংশ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ভবনে মূল্যস্ফীতি বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক গোলাম মোস্তফা কামাল এ তথ্য জানান।
তিনি আরো জানান, বিদ্যুৎ, পরিবহন, বাড়িভাড়া বৃদ্ধির কারণে গত অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। মূল্যস্ফীতির হ্রাস-বৃদ্ধির কারণ পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, মাসিক ভিত্তিতে অর্থাৎ চলতি বছরের মে মাসের তুলনায় জুন মাসে খাদ্য সামগ্রী উপ-খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে দশমিক ৫৬ শতাংশ। প্রধানত চাল জাতীয় দ্রব্য ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রীর মূল্য হ্রাস এবং ডাল, মাছ, ডিম, শাকসবজি, দুধ ও তামাকজাত জাতীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে মূল্যস্ফীতি ঘটেছে।
খাদ্য বর্হিভুত উপ-খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে দশমিক ১৩ শতাংশ। যা পরিধেয় বস্ত্র, চিকিৎসা সেবা, খরচ, পরিবহন এবং লন্ড্রি সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধির কারণে হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, চলতি বছরের মে ও জুন মাসে যথাক্রমে জাতীয় পর্যায়ে মজুরি হার সূচক ৬ হাজার ৮৮৩ দশমিক ৫৬ এবং ৬ হাজার ৯৫১ দশমিক ৬৮। যার ভিত্তিতে ২ মাসে জাতীয় মজুরির হার বৃদ্ধি পেয়েছে ১৪ দশমিক ৭৩ এবং ১৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির তুলনায় মজুরি হার অধিক বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যায়।
গ্রামীণ পর্যায়ে সাধারণভাবে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ, যা গত মে মাসে ছিল ৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ। শহর পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ১০ দশমিক ২৯ শতাংশ। যা গত মে মাসে ছিল ১১ দশমিক ১২ শতাংশ।
বিবিএস’র ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিং উইং প্রণীত ২০১২ সালে মূল্যস্ফীতির হার জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ পয়েন্ট টু পয়েন্টের ভিত্তিতে হয়েছে ৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ, যা গত মে মাসে ছিল ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ।
বাংলাদেশ সময়: ১৬২০ ঘণ্টা, জুলাই ০৫, ২০১২
এমআইএস/এমআইএইচ/ সম্পাদনা: অশোকেশ রায়, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর