বেনাপোল: দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল বন্দর এলাকায় ৫ শতাধিক টেলিফোন সংযোগ দীর্ঘ ৬ মাস ধরে বিচ্ছিন্ন রয়েচ্ছে।
এতে করে সরকারি, বেসরকারি অফিস ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অফিসিয়াল কাজ-কর্ম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বেনাপোল পৌর এলাকার ময়লা পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন তৈরি করতে গিয়ে পৌরসভার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা সংযোগগুলো বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন। তার পর থেকে এ ব্যাপারে আর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
এদিকে, জানা গেছে, বছরের অধিকাংশ সময় তার চুরির ঘটনায়ও বেনাপোল বন্দর এলাকার সংযোগ বিছিন্ন থাকে।
এবিষয়ে শার্শা টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ইঞ্জিনিয়ার মো. আসাদুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, ‘এ ঘটনায় বেনাপোল পৌরসভাকে প্রায় ৫ মাস আগে চিঠি দিয়ে সংযোগ খরচ বহন করতে বলা হয়। কিন্তু, আজ পর্যন্ত খরচ বহন করা তো দূরের কথা, তারা চিঠির কোনো উত্তরই দেয়নি।‘
তিনি বলেন, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তারা টেলিফোন লাইন পুনর্সংযোগের আশ্বাস দিয়েছেন।‘
তবে কবে নাগাদ বিচ্ছিন্ন ৫শ টেলিফোন লাইনে আবার সংযোগ দেওয়া হতে পারে, সে বিষয়ে কোনো কিছু জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে, টেলিফোন লাইন বিকল হয়ে পড়ায় বেনাপোল বন্দর ও পৌর এলাকার প্রায় ৭শ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টসহ বিভিন্ন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এপ্রসঙ্গে বেনাপোল পৌরসভার সচিব রফিকুল ইসলাম শনিবার সকালে বাংলানিউজকে জানান, শার্শা এক্সচেঞ্জ থেকে তাদের কোনো অভিযোগ জানানো হয়নি। তবে পৌরসভার উন্নয়ন কাজ করতে গিয়ে কিছু লাইন বিছিন্ন হতে পারে।
বাংলাদেশ সময়: ১২৩০ ঘণ্টা, জুলাই ২১, ২০১২
সম্পাদনা: রাফিয়া আরজু, নিউজরুম এডিটর