ঢাকা: তৈরি পোশাক শিল্পকে বর্তমান দুর্যোগ থেকে রক্ষা করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন- বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী (পারভেজ)।
তিনি বলেছেন, আমাদের শিল্প বন্ধ করা ছাড়া উপায় নেই। সরকারের উচিত এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা। তা না হলে এই শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। মনে রাখতে হবে রপ্তানি আয়ের তিন চতুর্থাংশ আসে এই খাত থেকে। এটি অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। তাই এ শিল্প বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
বিজিএমইএ আশুলিয়ার তৈরি পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার এই ব্যবসায়ী নেতা সরকারের কাছে এ আহ্বান জানান।
শনিবার সন্ধ্যায় বিজিএমইএর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে পোশাক কারখানা বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়।
পারভেজ বলেন, এর পেছনে ষড়যন্ত্র কাজ করছে। আমাদের শ্রমিকরা এর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে না। তাই সরকার আইনি পদক্ষেপ নিলে সব বিশৃংখলা বন্ধ হবে। এখনো এটা প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ছড়িয়ে পড়ার আগেই কার্যকর উদ্যোগ দরকার।
এ সময় তিনি তৈরি পোশাক শিল্পের বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট বক্তব্য দাবি করেন।
তিনি বলেন, বেতন ভাতার দাবি নিয়ে এই বিশৃংখলার সৃষ্টি হয়নি। সম্প্রতি শ্রম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বলেছেন, এর পেছনে ষড়যন্ত্র আছে। তাই সরকারের উচিত এই ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেওয়া।
পারভেজ বলেন, আমি বুঝতে পারছি না কেন এই শিল্পকে ধ্বংস করতে চাওয়া হচ্ছে। কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে এখানে কর্মরত আমাদের শ্রমিক ভাইবোনরা। বিনিয়োগ কোথায় যাবে।’
এদিকে দেশের নিট পোশাক মালিকদের সংগঠন- বিকেএমইএ’র সহ সভাপতি মো. হাতেম বাংলানিউজকে বলেন, আজ বিজিএমইএ যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিকেএমইএ এর সঙ্গে একমত। আমাদের কারখানাগুলোও বন্ধ থাকবে। আমরা যৌথভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
বাংলাদেশ সময়: ২০৩৯ ঘণ্টা, ১৬ জুন, ২০১২
এসএআর/সম্পাদনা: নূরনবী সিদ্দিক সুইন ও আহমেদ জুয়েল, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর