বিভিন্ন ধরণের ইন্টারভিউ দিয়েও যখন ফারদিনের চাকরি হলো না, ঠিক তখনি তার প্রেমিকা সামান্তা জানায় তাঁর পক্ষে সম্পর্কটা রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফারদিনের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। চার বছর ধরে ঘাড়ে চেপে থাকা ভালোবাসার ভূত নড়েচড়ে বসে। কোন ভাবেই সামান্তাকে বোঝাতে পারে না।
বন্ধু ইমরান বুদ্ধি দেয়, একটা রেস্টুরেন্টে নিয়ে গিয়ে সামান্তাকে খাওয়ালে ঠিকই বুঝবে। বন্ধুর কথা শুনে ফারদিন আরো বিরক্ত হয়। কারণ রেস্টুরেন্টে খাওয়ালেই যদি সম্পর্ক টিকে যেত, তাহলে ধার করে হলেও নিজেই একটা রেস্টুরেন্ট খুলে বসতো ফারদিন। কিন্তু নিজের ভালোবাসা রক্ষার চেষ্টায়
ফারদিন সামান্তাকে রেস্টুরেন্টে খাওয়ার প্রস্তাব দেয়। প্রথমে বিরক্ত হলেও পরে রেস্টুরেন্টে যেতে রাজি হয় সামান্তা। কিন্তু রেস্টুরেন্টে গিয়ে ফারদিন দেখতে পায় ভূতের নানা কারবার।
ভূত সেজে খাবার দিতে আসে ওয়েটার। ভূতের বেশে ওয়েটারের এসব সাজ-গোজ দেখে সামান্তা বিরক্ত হয়ে চলে যায়। আর বাসায় গিয়ে ফারদিন ঘুমাতে গেলেই রেস্টুরেন্টের ভূতদের স্বপ্নে দেখে। তারপর ঘটে অন্য ঘটনা।
এমনই এক গল্প নিয়ে পরিচালক মেহেদী হাসান সজীব নির্মাণ করেছেন নাটক ‘ভালোবাসার ভূত’। আশরাফুল চঞ্চলের রচনায় এ নাটকটির শুটিং হয়েছে ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে।
নাটকটির প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন- সজল ও বিদ্যা সিনহা মীম। এছাড়া অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন শিশির, জলি, আসিফ, রেহেল, প্রিয়াংকা প্রমূখ।
মীম নাটকটি নিয়ে বাংলানিউজকে বলেছেন, ‘খুবই মজার একটা গল্প। ভালোবাসার ভূত ঘাড়ে চাপলে কি ঘটে তাই দেখানো হয়েছে এ নাটকে। আশা করি, সবার ভালো লাগবে ।’
খুব শিগগিরই নাটকটি যে কোন একটি চ্যানেলে দেখা যাবে।
বাংলাদেশ সময় : ১৫৩৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৩
এমকে/জিআর, সম্পাদনা : গোলাম রাব্বানী, বিভাগীয় সম্পাদক বিনোদন