 |
| ছবি: কাশেম হারুন / বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
ঢাকা: আকাশপথে যাত্রীসেবার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে বুধবার আকাশে উড়লো বেসরকারি বিমান সংস্থা নভোএয়ারের উড়োজাহাজ।
বুধবার ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ফ্লাইট চালুর মধ্য দিয়ে উড্ডয়ন উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রীকর্নেল (অব.) এম ফারুক খান।
উদ্বোধনী ফ্লাইটে ৫০ আসনের সবক’টিই ছিলো পূর্ণ। বন ও পরিবেশমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রথম ফ্লাইটের যাত্রী হন।

ফ্লাইটটি আকাশে ওড়ার আগে বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো ছিলেন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মাহমুদ হোসেন। এছাড়াও বেবিচক ও বিমানের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিমান সংস্থাটি প্রতিদিন ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চারটি, ঢাকা-কক্সবাজারে একটি, ঢাকা-যশোর রুটে একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করবে। এ মুহূর্তে ঢাকা-সিলেট ফ্লাইট চালু না করলেও শিগগিরই এই রুটে ফ্লাইট চালু করবে। পর্যায়ক্রমে বরিশাল, রাজশাহী এবং সৈয়দপুরেও যাবে নভোএয়ার।
নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব.) মফিজুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, “ফ্লাইট চালুর এই বিশেষ মুহূর্তটির জন্য আমরা এতদিন কাজ করেছি। আজ সেই স্মরণীয় দিনে খুবই ভালো লাগছে।”
তিনি বলেন, “নভোএয়ারকে একটি ব্র্যান্ড হিসেবে বিশ্বে পরিচিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”

সংস্থাটির বহরে বর্তমানে টুইন জেট এমব্রেয়ার ইআরজে-১৪৫ মডেলের দু’টি উড়োজাহাজ রয়েছে। ৫০ আসনের প্রতিটি উড়োজাহাজ অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বেশ ভালো।
৯/১০ বছর পুরনো ব্রাজিলের তৈরি এই উড়োজাহাজের প্রতিটির দাম পড়েছে ৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের কাছ থেকে উড়োজাহাজ দু’টি কিনেছে নভোএয়ার।
এরইমধ্যে ১২ জন বাংলাদেশি ও ৬ জন বিদেশি বৈমানিককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের ট্রেনিংও সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশি বৈমানিকদের বোয়িং ৭৬৭ এবং এমডি ৮৩ চালানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে।
মফিজুর রহমান জানান, কলকাতা, কাঠমাণ্ডু, ইয়াঙ্গুন, বেঙ্গালুরু এবং চিয়াং মাই’র মতো গন্তব্যের জন্য টুইন জেট এমব্রেয়ার ই১৪৫ উড়োজাহাজ খুবই উপযোগী।
বর্তমানে দেশে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ ও রিজেন্ট এয়ারওয়েজ নামে দু’টি বেসরকারি এয়ারলাইন্স রয়েছে। কিছুদিন আগে বন্ধ হয়ে যায় জিএমজি এয়ারলাইন্স।
বাংলাদেশ সময়: ১২০৫ জানুয়ারি ৯, ২০১৩
আইএইচ/এআর/জেডএম/আরআর; জুয়েল মাজহার, কনসালট্যান্ট এডিটর;