সংসদ ভবন থেকে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এনামুল হক মোস্তফা শহীদ বলেছেন, “ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান করতে হলে ঢাকা শহরে ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।” কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকার ভিক্ষুকেরা গ্রামে ভিক্ষুক হিসেবে পরিচিত নন।
রোববার জাতীয় সংসদের টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কর্মসূচি বাস্তবায়ন চলছে। এ কার্যক্রম সফল করতে হলে ঢাকায় ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
আইন প্রয়োগের মাধ্যমে বিষয়টি কার্যকর করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শিশুদের অঙ্গহানি করে ভিক্ষাবৃত্তিতে নামানোর প্রতিরোধে সচেষ্ট রয়েছে।”
সংসদ সদস্য সাধনা হালদারের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ঢাকা শহরের প্রতিটি জোনে এক হাজার করে ১০টি এনজিও’র মাধ্যমে ১০ হাজার ভিক্ষুকের জরিপ করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে ২ হাজার ভিক্ষুককে পুনর্বাসন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিলো।
কিন্তু জরিপে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে পরে স্থানীয়ভাবে তাদের সনাক্ত করা দুরহ হয়ে পড়ে। ঢাকায় যারা ভিক্ষুক হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছিলেন এলাকায় তারা ভিক্ষুক হিসেবে পরিচিত নন।
তিনি বলেন, “ঢাকায় ভিক্ষুক হিসেবে তালিকাভুক্ত এবং পুনর্বাসিত হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন তাদের সনাক্ত করে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণ শেষে জীবিকা অর্জনের উপকরণ হিসেবে রিকশা, ভ্যান ও ভ্রাম্যমাণ দোকান দেওয়া হবে।”
ইসরাফিল আলমের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ৬৪ জেলায় ৬৪টি শান্তি নিবাস ( বৃদ্ধাশ্রম) স্থাপনের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ২০০৩ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১২
ইএস/সম্পাদনা: জাহাঙ্গীর আলম, নিউজরুম এডিটর