চট্টগ্রাম: কর্ণফুলী নদীর সীমানা নির্ধারণ, অবৈধ দখল ও দূষণমুক্ত করতে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাহাজাহান খান।
স্থানীয় সরকর মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটি একই সঙ্গে কর্ণফুলী নদীর সীমানা করে পিলার স্থাপন, দূষণের উৎস চিহ্নিতকরণ ও যে সব প্রতিষ্ঠানে ইটিটি ব্যবহার করবে না সেসব প্রতিষ্ঠারেন বিরুদ্ধে কার্যকর পদপে নিবে বলে জানান মন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দর ট্রেনিং ইনিস্টিটিউট অডিটরিয়ামে বুড়িগঙ্গা, কর্ণফুলীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদ-নদীর নাব্যতা ও গতি প্রবাহ অব্যহত রাখা সংক্রান্ত গঠিত ট্রাস্কর্ফোসের ২০ তম সভায় এসব কথা জানান নৌ মন্ত্রী ।
সভা শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘কমিটি অবৈধ দখলদার ও স্থাপনা উচ্ছেদ, কর্ণফুলী দূষণ এলাকা চিহ্নিত করে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয় সভায়।’
এছাড়া কর্ণফুলী নদীর সীমানা নির্ধারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যে জটিলতা রয়েছে তা নিরসনের জন্য সীমানা নির্ধারণ করে পিলার স্থাপন করার সিদ্ধান্ত হয়।
সভা শেষে চট্টগ্রাম বন্দরের কাছ থেকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পাওনা সিটি মেয়র এম মনজুর আলমের হাতে ১১২ কোটি ৩০ ল্ক্ষ টাকার একটি চেক তুলে দেন।
নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের সচিব সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের সচিব আবু আলম মো. শহীদ খান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র এম মনজুর আলম, সাংসদ জাফরুল ইসলাম চৌধুরীসহ বিভ্ন্নি সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সময়:১৮ ১৫ঘন্টা, নভেম্বর ২৯ ২০১২
এমইউ/আরডিজি