 |
ঢাকা: আইসিসিতে আ হ ম মোস্তফা কামালের সহ-সভাপতির হওয়ার বিষয়টি ঝুলে আছে। সংস্থার গঠনতন্ত্রে কিছু পরিবর্তন আনায় এই বিলম্ব বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি।
আইসিসির বার্ষিক সম্মেলন শেষে দেশে ফিরে শনিবার মোবাইলফোনে মোস্তফা কামাল বাংলানিউজকে জানালেন, আইসিসির সহ-সভাপতি পদে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে। এমন কি ২০১৪ সালে আইসিসি সভাপতিও হবেন তিনি।
বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের পক্ষ থেকে মোস্তফা কামালকে আইসিসির সহ-সভাপতি প্রার্থী করা হয়েছে। জুনে তার ব্যাপারে একটা সিদ্ধান্ত হয়ে যাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু সংস্থার গঠনতন্ত্রে সংশোধন আনায় নির্ধারিত সময়ে তা করা সম্ভব হয়নি বলে জানান বিসিবি সভাপতি। বাংলানিউজকে বলেন, ‘গঠনতন্ত্র সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত আমার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হবে না আগেই বলে দেওয়া হয়েছে। বার্ষিক সভায় সহ-সভাপতি পদ নিয়ে কোনো আলোচনা হওয়ার কথা ছিলো না। এখন গঠনতন্ত্র সংশোধন হয়েছে, অক্টোবরে আমাকে সহ-সভাপতি করা হবে। আমার জন্য ২০১৪ সাল পর্যন্ত সহ-সভাপতি পদ রাখা হয়েছে। সহ-সভাপতির মেয়াদ শেষ হলে আমি আইসিসির সভাপতিও হবো।’
সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ২০১৪ সাল থেকে আইসিসিতে কোনো সহ-সভাপতি পদ থাকবে না। সভাপতির মেয়াদ হবে এক বছরের। বেতনভুক্ত চেয়ারম্যানও দায়িত্ব গ্রহণ করবেন ২০১৪ সালে। বিসিবি সভাপতি মোস্তফা কামাল জানান, ‘পর্যায়ক্রম অনুসারে সভাপতি হবে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলো থেকে। আগে যে নিয়ম ছিলো তাতে করে দুই দেশের একজন প্রার্থী সভাপতির জন্য নির্বাচন করতে পারতেন। এতে করে একটি দেশ সব সময় বঞ্চিত হতো। এখন তা হবে না। জিম্বাবুয়ে থেকেও সভাপতি হবে।’
চেয়ারম্যান সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি হবেন এর সঙ্গে একমত না মোস্তফা কামাল। তিনি বলেন, ‘চেয়ারম্যান নির্বাহী দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি বেতনভুক্ত কর্মকর্তা। সভাপতির কোনো সম্মান থাকবে না তা কি করে হয়। এই ব্যবস্থা যদি এতটা খারাপ হবে, তাহলে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড এই নিয়মের পক্ষে থাকতো না। বেতনভুক্ত কর্মচারি হতে চাইতো সবাই।’
অক্টোবরে আইসিসির নির্বাহী কমিটির সভায় সহ-সভাপতি বিষয়ে আলোচনা হবে। অ্যালান আইজ্যাকের সহ-সভাপতি হিসেবে মোস্তফা কামালকে বেছে নেওয়া হবে না অন্য কোনো প্রার্থী চাওয়া হবে সদস্য দেশগুলো সমর্থন ভোটে তা নির্ধারণ করবে।
বাংলাদেশ সময়: ২০১২ ঘণ্টা, জুন ৩০, ২০১২
এসএ
সম্পাদনা: চঞ্চল ঘোষ, নিউজরুম এডিটর