 |
ঢাকা: মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানি ডেসটিনি ২০০০-এর ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
বুধবার এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিঠির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির সব ধরনের লেনদেন জব্দের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ডেসটিনি ২০০০-এর নামে থাকা সব ধরনের ব্যাংক হিসাবে লেনদেন স্থগিত রাখতে ওই চিঠিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে নির্দেশনা তাৎক্ষণিক কার্যকর করে প্রতিষ্ঠানটির সকল ব্যাংক হিসাবের বর্তমান স্থিতি ও সাম্প্রতিক লেনদেনের বিষয়ে যাবতীয় তথ্য এনবিআরে পাঠাতেও চিঠিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪-এর ১১৭ অনুচ্ছেদের ৪ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আয়কর ফাঁকির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ডেসটিনি ২০০০-এর ব্যাংক হিসাব জব্দের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ডেসটিনির ১১টি প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকি সংক্রান্ত অনিয়ম খতিয়ে দেখছে এনবিআর। পর্যায়ক্রমে ৩৭ অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ও সব পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সবার ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হবে।
এর আগে এনবিআরে দখিল করা আয়কর বিবরণীর সঙ্গে প্রকৃত আয়ের মিল না থাকা, আয় গোপন করার মাধ্যমে বিপুল অংকের রাজস্ব ফাঁকির প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় ডেসটিনি গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ডেসটিনি ২০০০ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমিন, তার স্ত্রীসহ আট পরিচালকের ব্যাংক হিসাব জব্দ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
আয়কর ফাঁকি দেওয়ার একই অভিযোগ ও কর ফাঁকির প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় ডেসটিনি ২০০০-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ডেসটিনি ট্রি প্লানটেশনসহ সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করে এনবিআর।
উল্লেখ্য, ডেসটিনি গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ও শীর্ষ ব্যক্তিদের রাজস্ব ফাঁকি সংক্রান্ত অনিয়ম তদন্তে এনবিআরের সদস্য (নিরীক্ষা, পরিদর্শন ও তদন্ত) মোহাম্মদ আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে ২০ সদস্য বিশিষ্ট বিশেষ কমিটি গঠন করেছে এনবিআর। এ কমিটি ডেসটিনির বিভিন্ন পর্যায়ের রাজস্ব ফাঁকির বিষয়ে তদন্ত করছে।
বাংলাদেশ সময়: ২২১০ ঘণ্টা, মে ২৩, ২০১২
এইচএমএম/সম্পাদনা: আহমেদ জুয়েল, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর