 |
| ছবি: রুবেল/বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
ঢাকা : রাজধানী ও এর আশেপাশে এলাকায় জাল নোট তৈরি করে বাজারজাত করেন ১২ জন কারিগর। এদের মধ্যে ৫ জন জেলহাজতে। আর বাকি ৭ জন রয়েছেন বাইরে। এই কারিগররা ঈদসহ বড় বড় উৎসবে জাল টাকা তৈরির কারবার বাড়িয়ে দেন।
এদেরকে গ্রেফতারে গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান শুরু করছে। জালনোট তৈরির কারিগরদের গ্রেফতার অভিযান পরিচালনাকারী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শুক্রবার ৬ লাখ ৪০ টাকার জালনোটসহ গ্রেফতারকৃত ৩ জনকে ডিএমপির মিডিয়া সেলে সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির করা হয়। গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, গত ২৭ জুলাই ১ কোটি টাকা জালনোটসহ গ্রেফতারকৃত ৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, জাল টাকা তৈরির কারিগররা ধর্মীয়সহ নানা উৎসবে জাল টাকা তৈরি বাড়িয়ে দেয়। চলতি ঈদ মৌসুমে জাল টাকা তৈরি ও তা বাজারজাত করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।
গত শুক্রবার ১ কোটি টাকার জালনোটসহ ওই গ্রুপের প্রধান কারিগর সেলিমকে আটক করার পর জাল টাকার বাকি কারিগরদের খোঁজ পায় গোয়েন্দারা। এই সংঘবদ্ধ চক্র তাদের এজেন্টের মাধ্যমে রাজধানীসহ সারাদেশে জাল টাকা ছড়িয়ে দেয়।
অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে গোয়েন্দারা জানতে পারে পল্টনের গাজী ভবনের সামনে জাল টাকা তৈরির একটি চক্র অবস্থান করছে। তাৎক্ষণিক পরিচালিত এই অভিযানে ৬ লাখ ৪০ হাজার টাকার জালনোটসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- সুজন (২৪), বিলাশ আখন্দ (২৫) এবং আব্দুর রহিম (২২)।
গ্রেফতারকৃত আব্দুর রহিম জানায়, তারা চলমান ঈদ মার্কেটে এই টাকা ছেড়ে বাজারজাত করার পরিকল্পনা করছিলেন। তিনি জানান, তারা এক পার্টির কাছে টাকাগুলো দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (পশ্চিম) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মশিউর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, ১২ কারিগরের মধ্যে ৫ জন জেলহাজতে। বাইরে ৭ জন। তদন্তের ও গ্রেফতারের স্বার্থে এদের নাম এক্ষুণি বলা যাচ্ছে না। এদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ৩ জনকে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
বাংলাদেশ সময়: ১৬৪৪ ঘণ্টা, জুলাই ০৩, ২০১২
জেএস/আইএ/সম্পাদনা : সুকুমার সরকার, কো-অর্ডিনেশন এডিটর
kumar.sarkerbd@gmail.com