 |
| ছবি:সবিতা রহমান / বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
ঢাকা: বিতর্কিত ব্যক্তিদের মন্ত্রী করে মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে বলে সরকারের প্রতি অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের হলরুমে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল আয়োজিত “আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলে যোগদান এবং আওয়ামী দুর্বৃত্তায়নে দেউলিয়া দেশ: সংশয় ও শংকার কবলে আগামী নির্বাচন” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, “জনগণের সমস্যার সমাধানের জন্য নয়, তাদের ধোঁকা দেওয়ার জন্য মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করা হয়েছে।”
মোশাররফ বলেন, “নানা অভিযোগের পরেও অর্থমন্ত্রীকে না সরিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেহায়া হয়েছেন।”
নতুন মন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদের সমালোচনা করেন মোশাররফ। তিনি বলেন, “নতুন মন্ত্রীদের মধ্যে ম খা আলমগীরের সদস্যপদ হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টের রায়েও বাতিল হয়েছে। কিন্তু তিনি প্রধান বিচারপতির কাছে একটি রিভিউর কথা বলে পদে আছেন। তার সংসদ সদস্যপদ প্রশ্নবিদ্ধ।”
“শুধু তাই নয়, এর আগে প্রশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিলেন আলমগীর। এরপরও এমন একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে”, যোগ করেন মোশাররফ।
তিনি বলেন, “আরেকজন মন্ত্রী মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদকে তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি পদ্মাসেতুর দুর্নীতির দায়ে পদত্যাগকারী মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।” আবুল হোসেনের মতো মোস্তফা ফারুককেও একই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া রহস্যজনক বলে মন্তব্য করেন মোশাররফ।
বিএনপির এই নেতা আরো বলেন, “পতনোন্মুখ ও জনগণ থেকে ঘৃণিত সরকার জনগণকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য মন্ত্রিসভায় রদবদল করেছে। আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তায়নের কারণে দেশের সব ক্ষেত্র ধ্বংস হয়ে গেছে। যার কথা দেশ থেকে এখন বিদেশেও পৌঁছে গেছে।”
তিনি বলেন, “ক্ষমতায় আসার পরে ছাত্রলীগের দুর্বৃত্তায়নের কারণে প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন, এটাই সরকারের দুর্বৃত্তায়নের প্রমাণ।”
নির্দলীয় সরকারের দাবি না মানলে দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা সংঘাতে রূপ নেবে এবং এর দায়-দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সংগঠনের সভাপতি এম এম মেহবুব রহমানের সভাপতিত্বে এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আ ন ম এহসানুল হক মিলন, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মু. রহমতুল্লাহ প্রমুখ।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৫০ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১২
এসকেএস/সম্পাদনা: রানা রায়হান, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর