 |
আগরতলা (ত্রিপুরা) : মূল্যবৃদ্ধি ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সরব হলেন সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য বৃন্দা করাত।
বুধবার ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলায় এক জনসভায় তিনি অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় নীতির কারণেই দেশে বাড়ছে খাদ্যদ্রব্যের মূল্য। তা এমন জায়গায় চলে যাচ্ছে যা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।
গণবন্টন ব্যবস্থাকে সার্বজনীন করতে, কৃষকদের উৎপাদিত ফসলের সহায়ক মূল্য ঘোষণা, বিপিএল নির্ধারণের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় নীতি বাতিল করা, এবং দেশের সমস্ত মানুষকে খাদ্য নিরাপত্তা দেওয়া- এ চারটি মূল দাবিকে সামনে রেখে জুলাই মাসব্যাপী পাঁচ দফা দাবি আদায়ে সারা রাজ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগঠিত করেছিল চারটি বামপন্থী দল। গত ৩০ জুলাই থেকে চার বামদল দিল্লির যন্তর মন্তরে পাঁচ দিনব্যাপী গণধরণা আন্দোলন শুরু করে, যা ৩ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।
এরই অঙ্গ হিসাবে বুধবার বামফ্রন্টের ত্রিপুরা রাজ্য কমিটি রাজধানীর রবীন্দ্রভবনের সামনে এক সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশ থেকে দিল্লির গণধরণার প্রতিও সমর্থন জানানো হয়।
এর আগে আস্তবল ময়দান থেকে বামকর্মী সমর্থকরা এক বিশাল মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করেন।
সমাবেশের প্রধান বক্তা পলিটব্যুরোর সদস্যা বৃন্দা কারত তার ভাষণে বলেন, মূল্যবৃদ্ধি রুখতে কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। ফলে হু হু করে বাড়ছে দ্রব্যমূল্য। এসবের দিকে লক্ষ্য নেই কেন্দ্রীয় সরকারের। তাই রাস্তায় নেমে বামপন্থীরা কেন্দ্রীয় নীতির বিরোধিতা করছেন, শুধুমাত্র বাঁচার অধিকারের দাবিতে। আর এ মূল্যবৃদ্ধির খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ গরিব মেহনতী মানুষকে।
তিনি উল্লেখ করেন, অলিম্পিকে ভারত স্বর্ণপদক না পেলেও ভ্রষ্টাচারে কংগ্রেসীরা অবশ্যই স্বর্ণপদক পেয়েছেন। অপরদিকে সীমিত ক্ষমতার মধ্যে থেকে প্রান্তিক এই ত্রিপুরা সরকার দেশের মধ্যে একের পর এক রেকর্ড সৃষ্টি করছে। রাজ্যে ১০০ দিনে ৯৭ দিন কাজ পাচ্ছেন শ্রমিকরা যা দেশে নজিরবিহীন।
তবে সমাবেশকে রাজ্যে বামফ্রন্টের নির্বাচনী প্রচার হিসাবেই দেখছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহল।
বাংলাদেশ সময়: ২১৫৮ ঘণ্টা, আগস্ট ০১, ২০১২
তন্ময় চক্রবর্তী/ সম্পাদনা: অশোকেশ রায়, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর