 |
দিনাজপুর: দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে দিনাজপুরের জেলা প্রশাসকের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করা হয়েছে।
রোববার বেলা আড়াইটার দিকে মাইকে এ ঘোষণা দেন সম্মিলিত পেশাজীবী সংগঠনের আহ্বায়ক ফুলবাড়ী পৌরসভার মেয়র মুর্তুজা সরকার মানিক।
দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ শামীম আল রাজী আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আপনাদের সব দাবির বিষয়ে সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যার সমাধান করবো।”
জেলা প্রশাসকের এ ঘোষণার পর ফুলবাড়ীর আন্দোলনকারীরা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সব ধরনের আন্দোলন স্থগিত করেন।
এর আগে সকাল সাড়ে ১১টা থেকে সোয়া ২ ঘণ্টা ধরে ফুলবাড়ী সড়ক ও জনপদ বিভাগের ডাকবাংলায় আন্দোলন প্রত্যাহারের ব্যাপারে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে জেলা প্রশাসক আহমেদ শামীম আল রাজী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এনামুল হক, পুলিশ সুপার মইনুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিমান চন্দ্র কর্মকার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, ফুলবাড়ী সম্মিলিত পেশাজীবী সংগঠনের আহ্বায়ক ও ফুলবাড়ীবাসীর পক্ষে পৌর মেয়র মুর্তূজা সরকার মানিক, ফুলবাড়ী তেল-গ্যস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম জুয়েল, সদস্য সচিব জয় প্রকাশ নারায়ন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হক, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার লিয়াকত আলী, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা মোসাদ্দেক হোসেন লাবু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বিদেশি কোম্পানি এশিয়া এনার্জিকে ফুলবাড়ী খনির জরিপ কাজে সহায়তা করতে দিনাজপুরের জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রালয়ের দেওয়া চিঠি প্রত্যাহারের দাবিতে তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ, বন্দর ও খনিজ সম্পদ রক্ষা জাতীয় কমিটি এবং ফুলবাড়ী পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষে অরাজনৈতিক মঞ্চ আলাদা আলাদাভাবে শনিবার প্রথম হরতালের ডাক দেয়। পরে রোববারও হরতাল ডাকা হয়।
রোববার হরতালের দ্বিতীয় দিনে ফুলবাড়ীর সব দোকানপাট, স্কুল কলেজ, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এমনকি খাবারের হোটেল ও ওষুধের দোকান বন্ধ থাকে। সকাল থেকে চলতে থাকে হরতাল। এরই এক পর্যায়ে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলন স্থগিত করা হয়।
বাংলাদেশ সময়: ১৪৫৭ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৫, ২০১২
সম্পাদনা: প্রভাষ চৌধুরী, নিউজরুম এডিটর ও অশোকেশ রায়, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর eic@banglanews24.com