 |
ঢাকা: দুবাই থেকে আসা এমিরেট্স এর ফ্লাইটে কোনও বোমা খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া বোমা পেতে রাখার হুমকিদাতা মদ্যপ যাত্রীকে আটক করা হয়েছে।
উত্তরা ডিভিশনের উপ-পুলিশ কমিশনার নিসারুল আরিফ সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় বাংলানিউজকে জানান, আটক ব্যক্তির নাম সুলতান মিয়া(৩০)। দুবাইর একটি হোটেলে কর্মরত সুলতানের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলায়।
বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ শামসুদ্দিন আহম্মেদ চৌধুরী রাত পৌনে ১০টার দিকে বাংলানিউজকে জানান, এ ঘটনায় রাত সাড়ে ৮টা থেকে পরবর্তী ৪০ মিনিট পর্যন্ত রানওয়ে বন্ধ রাখ হয়। বিমানটিকে ট্যাক্সিওয়েতে নিয়ে আসার পর যাত্রীদের নিরাপদে নামিয়ে পুঙ্খাণুপুঙ্ক্ষ পরীক্ষা করে কোনও বোমা বা বিস্ফোরক খুঁজে পাওয়া যায়নি।
রাত সোয়া ৯টা থেকে মিবানবন্দর ফের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। আটক সুলতান মিয়াকে বিমানবন্দর থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
এর আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দায়িত্বরত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) এএসপি মিনহাজ রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাংলানিউজকে জানান, বিমানটিকে টারমাকের একপাশে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে এবং যাত্রীদের নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়েছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদস্য গ্রুপ ক্যাপ্টেন শহীদুল আলম ঘটনাস্থল থেকে বাংলানিউজকে বলেন, ওই ফ্লাইটে আগত বাংলাদেশি এক যাত্রী শাহাজালালে বিমানটি অবতরণের আগেই একজন কেবিন ক্রুকে জানান, বিমানে বোমা পেতে রাখা হয়েছে। এরপর বিষয়টি বিমানের ক্যাপ্টেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ারকে জানান।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি জানার পর বেবিচক সব ধরনের সতর্কতামূলক প্রস্তুতি নিয়ে রাখে। বিমানটি অবতরণের পরপরই হুমকিদাতাকে বিমান থেকে আটক করে পুলিশ।
একটি সূত্র জানায়, হুমকিদাতা সুলতান মিয়াকে মাদকাসক্ত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বিমানে বেসামাল আচরণ করছিলেন। তিনি একজন ক্রুকে জাপটে ধরেন। একপর্যায়ে হুমকি দিয়ে জানান, বিমান উড়িয়ে দেওয়া হবে, বোমা পেতে রাখা হয়েছে। এতে ফ্লাইটের অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বাংলাদেশ সময়: ২২০৮ ঘণ্টা, ১৫ জুলাই, ২০১২
সম্পাদনা: আহসান কবীর, আউটপুট এডিটর
ahsan@banglanews24.com