চট্টগ্রাম: নগরীতে ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির কাজ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন।
মঙ্গলবার নগরীর বন্দর, পাহাড়তলী ও ডবলমুরিং থানার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খোরশেদ আলম বাংলানিউজকে জানান, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ শেষ হওয়ার পর চতুর্থ পর্যায়ে নগরীতে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রম আগামী ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ নাগাদ চলবে।
সিটি কর্পোরেশন এলাকার ৪১টি ওয়ার্ডকে ৬ জোনে ভাগ করে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার বন্দর, পাহাড়তলী ও ডবলমুরিং থানার বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ তিন থানার ২০টি ওয়ার্ডে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে। আর ১ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থানীয় রেজিস্ট্রেশন কেন্দ্রে ছবি তোলার কাজ হবে।
দ্বিতীয় দফায় চান্দগাঁও ও পাঁচলাইশ থানায় ২০ অক্টোবর থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ শুরু হবে। দুই থানার ১১টি ওয়ার্ডে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
এরপর ৭ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থানীয় রেজিস্ট্রেশন পয়েন্টে গিয়ে ভোটারদের ছবি তোলা হবে।
তৃতীয় দফায় নগরের কোতোয়ালি থানার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ১ থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
এদিন থেকেই ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন কেন্দ্রে ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হবে বলে জানান তিনি।
এদিকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা নির্বাচন কমিশন।
খোরশেদ আলম জানান, ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে ১ হাজার ৫১৬ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৩১৫ জন সুপারভাইজার কাজ করছেন। তাদের প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করা হয়েছে।
তিনি জানান, গত ১০ মার্চ থেকে শুরু হওয়া চট্টগ্রামের ১২ উপজেলায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির কাজ বর্তমানে শেষ পর্যায়ে।
এর আগে চট্টগ্রামসহ সারা দেশে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ সর্বশেষ করা হয়েছিল ২০০৯ সালে।
বাংলাদেশ সময়: ১১ ৪৫ ঘণ্টা, অক্টোবর ১৬, ২০১২
এমবিএম/এআরএম