 |
ঢাকা: প্রায় নয় মাস পর আবারো শেখ হাসিনার সরকার এবং বাংলাদেশের চলমান রাজনীতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটেনের প্রভাবশালী সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘দ্য ইকোনোমিস্ট’। আগেরবারের মতো এবারও ওই প্রতিবেদনের জন্য প্রতিবাদ জানাবে বাংলাদেশ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা শনিবার বাংলানিউজকে এ সম্পর্কে জানান, প্রতিবাদে কি লেখা হবে তার একটি খসড়া এরই মধ্যে তৈরি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী শুক্রবারই এ ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গেও কথা হয়েছে।’
ইকোনোমিস্টের জোড়া প্রতিবেদন দু’টির বিষয়গত ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে এ ব্যাপারে বাংলাদেশের প্রতিবাদলিপি তৈরি করা হবে বলেও ওই কর্মকর্তা জানান।
ইকোনোমিস্টের ২৬ মে অনলাইন সংস্করণের ‘লিডারস’ ও ‘এশিয়া’ বিভাগে ‘পলিটিক্স ইন বাংলাদেশ: ব্যাংগড অ্যাবাউট’ এবং ‘বাংলাদেশস টক্সিক পলিটিক্স: হ্যালো দিল্লি’ শিরোনামে জোড়া প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
প্রতিবেদন দু’টিতে বলা হয়, রাজনৈতিক নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে বিপজ্জনক পথের দিকেই নিয়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশকে রক্ষা করতে প্রতিবেদনে ভারতের প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, বিশ্বের মধ্যে ভারতই এখন একমাত্র দেশ বাংলাদেশ যাদের কথা শুনবে।
তবে এই প্রতিবেদনে খালেদা জিয়ারও সমালোচনা করা হয়।
‘হ্যালো দিল্লি’ প্রতিবেদনে হাসিনা ও খালেদাকে ইতালীয় রূপকথার পাপেট শো’র চরিত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পাঞ্চ ও জুডি নামের ওই চরিত্র দু’টির সঙ্গে খালেদা ও হাসিনাকে তুলনা করা হয় এই প্রতিবেদনে।
এছাড়া বাংলাদেশের চলমান রাজনীতি ও পরিস্থিতির ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে এতে কড়া সমালোচনাও করা হয়।
গত বছরের ৩০ জুলাই ও ১২ আগস্ট দু’টি প্রতিবেদনের প্রতিবাদ সে সময় পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে পাঠানো
হয়েছিল। এবারও পররাষ্ট্র দপ্তরের বহিঃপ্রচার অণুবিভাগ থেকেই তা পাঠানো হবে।
সে সময় অবশ্য ওয়েব এডিশনে বাংলাদেশের বক্তব্য প্রকাশ করেছিল ইকোনোমিস্ট।
চলতি সপ্তাহের বুধবারের মধ্যেই প্রতিবাদ ইকোনোমিস্টের ঠিকানায় মেইল করে পাঠাতে পারে বাংলাদেশ, সূত্র এমনটিই জানায়।
বাংলাদেশ সময়: ২০২৯ ঘণ্টা, মে ২৬, ২০১২
একেআর/সম্পাদনা: আহমেদ জুয়েল, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর;
জুয়েল মাজহার, কনসালট্যান্ট এডিটর