 |
| ছবি: সুমন্ত /বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
ঢাকা : ৩ দিনে মানুষ অধৈর্য হয়ে পড়েছে। এখন হরতাল দিলেও মানুষ মানবে না। মানুষ রাস্তায় বের হবেই।
কথাগুলো বলছিলেন বাসচালক আসাদ।
মঙ্গলবার বিএনপির ডাকা হরতালের তৃতীয় দিন বিকাল ৪টা থেকে রাজধানী ঢাকায় যানবাহন চলাচল লক্ষণীয়ভাবে বেড়ে যায়। এসময় মহাখালী বাসডিপোর কাছে কথা হয় বাসচালক আসাদের সঙ্গে। তারটিসহ অন্যান্য বাস ও যানবাহনে রীতিমত যাত্রী বোঝাই অবস্থা।
সকাল-সন্ধ্যা (সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা) হরতালের শেষ দুই ঘণ্টা বাকি থাকতেই এ দৃশ্যে বোঝা যায় আসলেই মানুষজন অস্থির হয়ে উঠেছে।
‘হরতাল শেষ হয়নি এখনও। তারপরেও গাড়ি নিয়ে বের হয়েছেন?’ --এ প্রশ্নের জবাবে আসাদ উপরের কথাগুলো বলেন।
মঙ্গলবার বিকেল ৪টার পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার চেহারা যেন পাল্টে যায়। মিরপুর রোড, বাড্ডা-রামপুরা-প্রগতি সরণি, গুলশান-বনানী সর্বত্র যানবাহনের চলাচল বেড়ে যায়। কোথাও কোথাও দেখা যায় রীতিমতো যানজট লেগে গেছে।
সংবাদ সংগ্রহে একস্থান থেকে অন্যস্থানে যাওয়ার সময়ে পথে কোথাও থামলেই সাংবাদিক পরিচয় বুঝতে পারলে সাধারণ মানুষ হরতাল বিষয়ক নানা প্রশ্ন করেছেন সারাদিনই।
‘‘আপনারা তো সব জানেন, হরতাল কি আরও দেবে? কিভাবে চলবে তাহলে! আমাদের তো আয়-রোজগার করে খেতে হবে!’’
এসবের কোনো জবাব নেই আমাদের কাছে। দেখা যাক সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপারসন কি বলেন?
বাংলাদেশ সময় : ১৭৫৯ ঘণ্টা, ২৪ এপ্রিল, ২০১২
সম্পাদনা : আহ্সান কবীর, আউটপুট এডিটর:
জুয়েল মাজহার, কনসালট্যান্ট এডিটর।