ঢাকা: দেশের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক ও শিক্ষকদের সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবাব কল্যাণমন্ত্রী ডা. আ.ফ.ম রুহল হক।
তিনি বলেন, “হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার বিকাশে দেশে এর গবেষণা ও হোমিওপ্যাথি ওষুধ উৎপাদনের দিকে নজর দিতে হবে। এ লক্ষ্যে কাজ করার জন্য দেশের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক ও শিক্ষকদের সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানাই।”
মন্ত্রী মঙ্গলবার ঢাকায় বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড ভবনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার আবিষ্কারক ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যান-এর ম্যুরাল উম্মোচন এবং বিভিন্ন হোমিওপ্যাথিক কলেজে কম্পিউটার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. দিলীপ কুমার রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের অন্যান্য মাঝে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র-সচিব মুহম্মদ হুমায়ুন কবির, বোর্ডের রেজিস্ট্রার ডা. জাহাঙ্গীর আলম বক্তৃতা করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “শুধু বাংলাদেশ নয়, উন্নত বিশ্বের হোমিওপ্যাথিসহ বিকল্প চিকিৎসার প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। বাংলাদেশে এই চিকিৎসা ব্যবস্থার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে যাকে কাজে লাগাতে পারলে দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অমূল্য পরিবর্তন আসবে।”
তিনি বলেন, “জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দেশে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার বিকাশ শুরু হয়েছিল। তিনি চেয়েছিলেন হোমিওপ্যাথিসহ বিকল্প চিকিৎসার যথাযথ মূল্যায়ন করে দেশের সার্বিক চিকিৎসা ব্যবস্থা পরিচালিত হবে। সেই আদর্শ ও পরিকল্পনা অনুযাপয়ী বর্তমান সরকার হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।”
তিনি বলেন, “সারা দেশে হোমিওপ্যাথ চিকিৎসক নিয়োগে নিয়োগ বিধি সংশোধনসহ সব জটিলতা দূর করে প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।”
তিনি শিক্ষকদের ভাতা বরাদ্দের সুবিধার জন্য হোওমপ্যাথি কলেজগুলো সরকারিকরণের বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেন।
বাংলাদেশ সময়: ২২০০ ঘণ্টা, আগস্ট ০৭, ২০১২
এমএন/সম্পাদনা: আহমেদ জুয়েল, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর