 |
ঢাকা: মোসাদ্দিক আহমেদকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নতুন ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার জাতীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের জরুরি সভায় মোসাদ্দিককে এই নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়।
মোসাদ্দিক আহমেদ বর্তমানে বিমানের ক্রয় ও সংরক্ষণ বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এর আগে গত ২২ এপ্রিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এয়ারলাইন্সের পরিকল্পনা পরিচালক ক্যাপ্টেন শেখ নাসিরউদ্দিন আহমেদকে। গত ২৫ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি বিমানের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব নিয়েছিলেন।
ক্যাপ্টেন নাসিরের দায়িত্ব গ্রহণের ঠিক দুই মাসের মাথায় তাকে সরিয়ে দেওয়া হলো।
২০১০ সালের ৯ সেপ্টেম্বর বিমান কর্তৃপক্ষ এক প্রশাসনিক আদেশ জারি করে ছয়জন বৈমানিকের চাকরির বয়স পাঁচ বছর বাড়িয়ে ৫৭ থেকে ৬২ বছর করে। অধিকাংশ বৈমানিক এই আদেশের বিপক্ষে অবস্থান নেন এবং আন্দোলনে নামেন। এরপর বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। পরে উচ্চ আদালতের নির্দেশে আরবিট্রেশন ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। সোমবার ট্রাইব্যুনালের রায়ের ফলে ক্যাপ্টেন শেখ নাসিরউদ্দিন আহমেদসহ ছয় বৈমানিক চাকরি হারান।
তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিমানের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদটি চুক্তিভিত্তিক। তাই এই আদেশের পরেও ক্যাপ্টেন নাসিরকে চাকরিতে বহাল রাখা যেতো। কিন্তু বিমানের চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন আহমেদ চাননি নাসির এমডি পদে থাকুন। তাই আরবিট্রেশন ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর তড়িঘড়ি করে মঙ্গলবার পর্ষদ সভা ডেকে সরিয়ে দেওয়া হলো ক্যাপ্টেন নাসিরকে।
এর আগে গত ২০ এপ্রিল বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন জাকীউল ইসলাম। তিনি প্রায় তিন বছর এই পদে দায়িত্ব পালন করেন। তবে তার সময়ে বিমান পরপর তিন বছর বিপুল অংকের টাকা লোকসান দেয়।
বাংলাদেশ সময়: ২১৩২ ঘন্টা, জুন ২৬ ২০১২
আইএইচ/এমএমকে;সম্পাদনা:জুয়েল মাজহার, কনসালট্যান্ট এডিটর jewel_mazhar@yahoo.com