 |
| ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
ভোলা: বাস ভাড়া আদায়কে কেন্দ্র করে রোববার দুপুরে ভোলা সরকারি কলেজের ছাত্রদের সঙ্গে বাস শ্রমিকদের সংঘর্ষে এক শ্রমিক মারা যান। এর প্রতিবাদে ভোলায় মঙ্গলবার ২য় দিনের মতো অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট চলছে।
জেলা বাস মালিক সমিতির ডাকে অনির্দিষ্টকালের এ বাস ধর্মঘট পালিত হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার ১ম দিনের মতো মঙ্গলবার ২য় দিনও ভোলায় অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার সব বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। সকালে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছ ফেলে শ্রমিকরা যানবাহন চলাচলও বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে ভোলার সঙ্গে সড়ক পথে দেশের কয়েকটি জেলার যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
গন্তব্যে যেতে না পারায় ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ বাস টার্মিনালে কয়েক শতাধিক যানবাহনের দীর্ঘ লাইন লেগে গেছে।
এদিকে, শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘটের কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী।
বাস চলাচল না করায় ভোলা-বরিশাল ও ভোলা-লক্ষীপুর রুটের ফেরি চলাচলও বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
অন্যদিকে, সংঘর্ষের ঘটনায় ভোলা বাস মালিক সমিতি ও ভোলা সরকারি কলেজ কর্তৃপক্ষ পাল্টা-পাল্টি মামলা দায়ের করেছে।
সকালে বাস টার্মিনালে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বাস শ্রমিকরা। অন্যদিকে, ছাত্ররা কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন।
ভোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাব আলী বাংলানিউজকে জানান, শ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনায় সোমবার বাস চালক আব্দুল হাই বাদী হয়ে শতাধিক ছাত্রের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।
অন্যদিকে ভোলা সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন বাদী হয়ে কলেজ ভাঙচুর ও ছাত্রদের মারধরের ঘটনায় ৩ শতাধিক শ্রমিকের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।
ওসি আরো জানান, পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত থাকলেও সহিংসতার আশঙ্কায় ভোলা কলেজ ও বাস টার্মিনালে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৩৩৫ ঘণ্টা, জুলাই ১০, ২০১২
সম্পাদনা: রাফিয়া আরজু/শিমুল সুলতানা, নিউজরুম এডিটর