 |
| ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জে নির্মানাধীন এক সিএনজি গ্যাস স্টেশনের ভবনের ছাদ ধসে এক শ্রমিক নিহত এবং কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন।
রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা থানার ধোপাকান্দিতে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পাশে শ্যামলী সিএনজি ফিলিং অ্যান্ড কনর্ভাসন স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নির্মাণ শ্রমিক রাশেল আহম্মেদ (২০) পাশ্ববর্তী দাদুনপুর গ্রামের শাহিন আহম্মেদের ছেলে। তার লাশ ধ্বংস স্তুপের নিচে চাপা রয়েছে।
ওই ঘটনায় নিহতের বাবা শাহিন ও বড় ভাই আশরাফ এবং সহকর্মী মোস্তফা, এরশাদ, মমিন, রওশন, শাহাদত ও জয়নালসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হন।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে ৫ জনকে সিরাজগঞ্জ সদর ও বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে এবং বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, রাশেলের মৃতদেহ উদ্ধার ও নিখোঁজ আরও শ্রমিকের খোঁজে ঘাটাইল সেনানিবাসের ১৯ পদাতিক বাহিনী ও বঙ্গবন্ধু সেতুর রক্ষাবেক্ষণে নিয়োজিত ৯৮ সংমিশ্রিত বিগ্রেডের একটি দল দমকল, পুলিশ ও র্যাব বহিনীর সদস্যদের নিয়ে দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।
বিগ্রেডের কমান্ডিং অফিসার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আজমল করিম, লে. কর্নেল জাকারিয়া হোসেন, লে. কর্নেল ইফতেখার আলম, মেজর পঙ্কজ ভট্টাচার্জ, মেজর অনিক, পুলিশ সুপার মো. হুমায়ুন কবীর, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোক্তার হোসেন, সদর সার্কেল এসপি কাজি আহসানুল কবির, সলঙ্গা থানার ওসি তাজুল হুদা ও সিরাজগঞ্জ দমকল বাহিনীর উপ-সহকারী পরিচালক (ডিএডি) আব্দুল হামিদ ঘটনাস্থলে থেকে উদ্ধারকর্মীদের সহায়তা করছেন।
এদিকে, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম বাংলানিউজকে জানান, নির্মানাধীন ভবনের ছাদের স্যাটারিং ত্রুটিপূর্ণ হওয়ার কারণে তা ধসে যায়। এ বিষয়ে তদন্ত করতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নুর ইসলামকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।
উদ্ধার দলের সদস্য লে. জুবায়ের হোসেন রোববার বিকেল পৌনে ৫টায় জানান, লাশ এখনও উদ্ধার হয়নি। ধসে যাওয়া ভবনের পাশে আরেকটি ভবন হেলে পড়ায় তা সরাতে অতিরিক্ত সময় লাগছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৭১১ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৫, ২০১২
সম্পাদনা: প্রভাষ চৌধুরী, নিউজরুম এডিটর