 |
ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনে পরিবারের সঙ্গে থাকেন উম্মে আহমেদ শিশির। পড়াশোনা, মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১০ বছর বয়সে বাবা-মা’র হাত ধরে পাড়ি জমিয়েছেন স্বপ্নের দেশে। দেখতে দেখতে শিশির এখন ২৩ বছরের তরুণী, বিশ্ববিদ্যালয় গ্রাজুয়েট। স্নাতক ডিগ্রি শেষ করে ২০১০ সালে যুক্তরাজ্যে বেড়াতে গিয়ে সাকিব আল হাসানের সঙ্গে তাঁর দেখা কোন এক অনুষ্ঠানে।
উস্টারশায়ারে কাউন্টি ক্রিকেট খেলতেই সাকিব তখন ইংল্যান্ডে। প্রথম দেখাতে ভালো লাগা, এরপর আলাপচারিতা এবং মন বিনিময়। ওই সময় ইংল্যান্ডে তাঁদের দিনগুলো বেশ কেটেছে। খেলা শেষ করে সাকিব দেশে ফিরে আসেন, শিশির চলে যান উইসকনসিনে। সাকিব খেলায় মন দেন, শিশির পড়াশোনায়। কিন্তু কোন ব্যস্ততাই তাঁদেরকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখতে পারেনি। মোবাইল ফোনের এই যুগে দূরত্বও কোন সমস্যা না। মোবাইলফোনেই তাঁদের প্রেমালাপ চলেছে। প্রেমিক সাকিব বুধবার শিশিরের বর হতে চলেছেন। ১২.১২.১২ দিনটি হোটেল রূপসী বাংলার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সাকিব-শিশিরের আকদ ওই দিন হোটেল রূপসী বাংলায়।
শিশিরের পরিবার বলতে বাবা-মা, চার ভাই ও দুই বোন। তারা যুক্তরাষ্ট্রেই থাকেন। পৈতৃক নিবাস ঢাকার অদূরে নারায়ণগঞ্জ জেলায়। যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর আগে তাঁর বাবা অগ্রণী ব্যাংকের চাকুরে ছিলেন। আহমেদ সাহেবের ছোট মেয়েটি সুদর্শনা, একই সঙ্গে আধুনিকাও। এক কথায় প্রথম দর্শনে পছন্দ হওয়ার মতই।
সাকিব এবং শিশিরের পরিবার একসঙ্গে বসে বিবাহের দিন ধার্য করে। পাশ্চাত্যের জল-হাওয়ায় বেড়ে উঠা এই তরুণী বিয়ে করছেন মাগুরার সাকিবকে। যদিও শিশিরকে মাগুরাতে থাকতে হবে না। দেশের সবচেয়ে ধনী ক্রীড়াবিদ সাকিব ঢাকায় দুটো ফ্ল্যাট কিনেছেন। তার একটি আবার মিরপুর ডিওএইচএসে। বিয়ের পর হয়তো নিজেদের ফ্ল্যাটেই উঠবেন নব দম্পতি।
বাংলাদেশ সময়: ১৭১৭ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১১, ২০১২
এসএ