 |
তিলের গল্প
তিলের গল্পকে ঢেকে রেখেছে সমরখন্দ, তোমার ঠোঁটের
মুক্তোবসানো ছুরির হাতল বদলে দিয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট,
সামান্য বিচ্যুতি হলে, জেনে নিও,
না জানার বেশি শিস দিতে দিতে উড়ে গেল পুরনো পাখিরা
শৃঙ্খল ভাঙতে ভাঙতে পা পরে নিল আনুগত্য,
সর্বনাশের কাঁধে তোমার মায়া সত্যি কিছু জারি রেখ,
জেন, আমি ওই উন্মাদের সব টুকু তিল,
আগামী জন্মে ওর হৃদপিণ্ড হবো, খুন করে পালাবার সময়
হেসে হেসে মরে যাব ভেতরেই, ওর বুকে,
মুখের পেশীতে বোঝা যাবে কী অবিশ্বাস্য স্তব্ধতা,
অন্যরকম, একেবারে অন্যরকম এই খুনীর হাতের ধাতব ক্যামেরা,
ভিজুয়ালাইজ করে রেখেছে,
আমার ঝর্ণা, আমার তোলপাড়।
নেগেটিভ রক্ত
আমিতো হাত দিয়ে ঢেকে রেখেছিলাম, কেবলই হাত দিয়ে
গতবছরের আগুন কে যেন জ্বালিয়ে নিল এবছরেও
নেগেটিভ রক্ত শুকিয়ে নিলাম একটু, টায়ারের গ্রুপ জানি না,
রক্তশূন্যতার গায়ে সময়মতো লাগে যদি,
টপলেস হবার আগে শেয়ার মার্কেটের দর জানা দরকার,
একটা খেলনা আইনস্টাইনের দামে এক ক্যারাভান ঊট,
দাম বেড়ে গেছে সোনালি বালিরও
যীশুজন্মের আগের ফারাও সম্রাজ্ঞীর চিকন কোমোর…
সাম্প্রতিক কাচ সভ্যতা ধরে রাখলেও নিষ্ফল হলো
তিরিশ সদস্যের মিটিং,
তারা ফিতার বদলে হাত দিয়ে মেপেছিলো স্তন।
মহাপ্রবণতার নাম ভুল
একটি বেঁচে থাকা সুগোল, যেন বেরিয়ে বাঁচে,
নার্সারি থেকে সবুজ আয়নায় তাকালে মোমদানিও
একমিনিটে ছাই, আমি তো পুড়িই,
কাঠের সিঁড়িতে কতবার উঠি, বুঝি ওঠা হলো না
বুঝি জ্বালানো হলো না, পোড়া ঠোঁট,
প্রতিবিম্ব ঘুরে ঘুরে চিঠির কাছে, পড়েছো বুক, চিঠি পড়েছো?
অভ্যর্থনা ঝুঁকে থাকে হিজলে, জলের অজস্রতায়,
প্রতিমূর্তির হাতে,
একটি বেঁচে থাকা আহ্লাদ, যেন অপচয়ে বাঁচে,
দেখা বাঁচিয়ে, চোখ বাঁচিয়ে বাঁচে,
মহাপ্রবণতার নাম ভুল, নেভাতে নেভাতে ভাঙা হাড়ে, মহাপ্রাণের ভাঙায়...
তবু ভেঙে যাওয়ার নাম পরাজয় নয়।
বাংলাদেশ সময়: ১৬০০ ঘণ্টা, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১২