 |
জাদুকর
যে আমার পাজামাগুলো ধুয়ে দেয়— ধুয়ে দেয় শার্ট প্যান্ট, তাকে তো দেখি যেতে পুরনো ছপছপে ঐ দেয়ালের পাশে— সরীসৃপের মত নিশানা খুঁজে ফেরে, কেন জানি না আজ ভোর হতেই বুঁজে আসে চোখ, তোমাকে ভাবার মত দৈর্ঘ্য ইঞ্চি মাপি, তবু কিছুই পাই না আমি, তোমার আঙিনায় বসে জাদুকর— তাকেও আজ ভেল্কী দেখাতে পারি না, সে আড়ালে হাসে, কোটরে চোখ স্ফীত করে আমাকেই দেখে... জানি তা, আলো আর আগল দেখে ভাবি— তোমাদের বাগানে ঘুমায় যে বৃদ্ধ তুলো গাছ— ম্যাচ বাক্সে জমানো দীর্ঘশ্বাসের মতো হাই তোলে, বিষম খাওয়ার মতো বলে তোমাকে ‘প্রভু। চিনলে না?’
কেন যে ডাকাতের সাথে পরিচয়ের পর থেকেই বন্ধুত্ব জমে ওঠে, গাঢ় হয়!
ভাড়ায় চালিত
দূরে কোথাও বোমা পড়ে আমার এই ছোট চোখে বোমা দেখি তবু তো আমি খেয়ে যাই সিগারেট একই ব্র্যান্ড যেন ভোর রাতে আদুরে বিড়ালটি তোমার চলে যায় গুটিপায়ে দেখি অন্ধকারে শীতশীর্ণ পথে উড়ন্ত তুলো আজ দূরে যেন সাপের শিশ্নভেজা রোদ্দুর আর্তচিৎকার আর বিষণ্ণ ধুলো এলিয়ে দেয় সব মিয়া কুঞ্জের ছাঁদে তবু কেন যে আমি সিগারেট খাই একই ব্র্যান্ড সূর্যের মুখে মুখ করে ধোঁয়া ছাড়ি আর ভাবি কার্ফ্যুর মাতাল স্তনে মুখ পুরে যে কালো পা হেঁটে যায় গুটিগুটি সাইরেন দেখে দূরের ঐ পাতা যা এবেলায় বেশি বেশি মায়াবি আর পুরাবাস্তব হয়ে ওঠে তাকে নোয়ানো গেল না কেন এ কুয়োর কাছে এসেও
হলঘর
পাজামার ১ ফিতে ২ মুখ
যেমন যারা স্যুপ খায়— খায় না
যুগলবন্দী তাদের আমি হেঁটে যেতে দেখি
পাঁজরভাঙা ঘরে
হলঘরে গমগমে চশমাআঁটা ঘুম
তাকে কয়েক পেগ উৎকণ্ঠা
ঢেলে যায় বুড়ো মাতালের মেয়ে
জরিনা— জোছনা— জুঁই
দূরে, ৫ আঙুল; পিস্তল ধরা
বাংলাদেশ সময় : ১৬৪২ ঘণ্টা, ০৯ অক্টোবর, ২০১২