 |
| ছবি : রুবেল /বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
ঢাকা: বুধবার বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। ‘সার্বজনীন প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য পরিবার পরিকল্পনা’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে পালিত হতে যাচ্ছে এবারের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০১২।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা পরিবার পরিকল্পনা সেবাসহ প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করার আহ্বান জানিয়েছেন।
দিবসটি উপলক্ষে বুধবার সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০১১ সালের করা সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী দেশের মোট জনসংখ্যা ১৪ কোটি ২৩ লাখ। তবে প্রতিবছর বৃদ্ধি পাওয়াতে এর হার বতর্মানে ১৫ কোটি ১০ লাখের মতো। বর্তমানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৩৪। জনসংখ্যা বৃদ্ধির এই হার অব্যাহত থাকলে
৫০ বছরের মধ্যে এই জনসংখ্যা দ্বিগুণ হবে। ১৯৭৫ সালে এই হার ছিল ৭ দশমিক ৭ শতাংশ। আর বর্তমানে এ হার হয়েছে ৬১ দশমিক ২ শতাংশ।
জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান তার বাণীতে বলেছেন, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কারণে বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রজনন স্বাস্থ্য এখনও চ্যালেঞ্জিং বিষয়। সরকার নারীর মর্যাদা, ক্ষমতায়ন এবং তাদের সামগ্রিক জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে নারী শিক্ষা বিস্তারের পাশাপাশি প্রজনন স্বাস্থ্য সেবার বার্তা পৌঁছে গেছে। তবে প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার রোধের পাশাপাশি নারীদের দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণিত করতে শিক্ষা, প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সারাদেশে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক পুনঃরায় চালু করা হয়েছে। দেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে অজ্ঞতা ও কুসংস্কারমুক্ত করার মাধ্যমে মা ও শিশু স্বাস্থ্য রক্ষা, প্রজননসেবা এবং পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
দিবসটি উপলক্ষে প্রতিটি জেলাতেই পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির প্রচারণামূলক র্যালি ও সভা সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সময় ০১০৪ ঘণ্টা, ১১ জুলাই ২০১২
এমএন/সম্পাদনা: বেনু সূত্রধর, নিউজুরম এডিটর