 |
| ছবি: দেলোয়ার হোসেন বাদল/ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
ঢাকা: ঈদের পর ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ডাক দিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, এ সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে নামতে হবে।
রোববার হোটেল ওয়েস্টিং-এ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এ ডাক দেন।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলীয় নেতাদের সম্মানে আয়োজিত এলডিপির এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে। আয়োজনে ১৮ দলীয় জোটের নেতাদের সঙ্গে ইফতার করেন বিরোধী দলীয় নেতা। এ সময় জোটের নেতারাও অংশ নেন।
রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
খালেদা জিয়া বলেন, “সরকারের পতন আন্দোলনের জন্য ১৮ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধ আছে।”
ঈদের পর সরকার পতনের আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে জোট নেতাদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “এ সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে নামতে হবে।”
তিনি বলেন, “সরকারি দলীয় নেতাদের হাতে সাংবাদিকরা নির্যাতিত হচ্ছে। এর কোনো তদন্ত বা বিচার হচ্ছে না।”
বর্তমান সরকারের আমলে ১৪ জন সাংবাদিক হত্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না বলেই সাংবাদিকদের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে।”
তবে আগামী দিনে সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার জন্য সব ধরনের সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
পরে জোট নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি। আয়োজনে দেশের সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং তার পরিবারের সদস্যদের জন্য দোয়া করা হয়।
মঞ্চে বিরোধী দলীয় নেতার সঙ্গে এক টেবিলে বসে ইফতার করেন এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহম্মেদ, মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, লে: জে: (অব.) মাহবুবুর রহমান, আ স ম হান্নান শাহ, আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা হোসেন, জামায়াত ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক নাজির আহমেদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মজিবুর রহমান, ঢাকা মহানগর নায়েবে আমীর হামিদুর রহমান আযাদ এমপি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক ভিসি অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মিয়া ও অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামছুজ্জামান দুদু, ড. এম ওসমান ফারুক, যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, ন্যাপ সভাপতি জেবেল রহমান গানি, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্র্টির সভাপতি খন্দকার গোলাম মুর্তজা।
এছাড়াও ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব আবদুল লতিফ নেজামী, মুসলিম লীগের নির্বাহী সভাপতি এ এইচ এম কামারুজ্জামান খান, ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান আবদুল মবিন, ঢাকা মহানগর বিএনপি সদস্য সচিব আবদুস সালাম, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, স্ব-নির্ভর বিষয়ক সম্পাদক রুহুল কদ্দুস তালুকদার দুলু।
বাংলাদেশ সময়: ১৯৫০ ঘণ্টা, জুলাই ২৯, ২০১২
এনএম/সম্পাদনা: আবু হাসান শাহীন, নিউজরুম এডিটর