ঢাকা: এ সরকার যতোই টালবাহানা বা ষড়যন্ত্র করুক আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই দিতে হবে বলে মনে করছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া।
রোববার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত ১৮ দলীয় জোট ঢাকা মহানগরের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে দেওয়া বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
ব্যারিস্টার রফিক বলেন, “এ সরকার যতোই টালবাহানা বা ষড়যন্ত্র করুক, আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই দিতে হবে। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।”
তিনি বলেন, “এ দাবি শুধু বিএনপির নয়, সর্বস্তরের মানুষের।”
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আর টালবাহানা না করে দুর্নীতি করে যে টাকা নিয়েছেন সে টাকা দিয়ে পদ্মাসেতু করুন।”
তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ ধ্বংসের পথে। সরকার দলীয়করণ করে এমন এক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে এই বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়েছে।”
ব্যারিস্টার রফিক ছাড়াও সমাবেশে জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ এমপি, বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবীর খোকন, যুবদল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নীরব, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক শরাফত আলী সপু, মহিলা দল সভাপতি নুরী আরা সাফা, এলডিপির যুগ্ম-মহাসচিব শাহাদত হোসেন সেলিম, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম-মহাসচিব মওলানা সাখাওয়াত হোসেন প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “যে আন্দোলন চলছে সে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটানো হবে। আমাদের নেতাদের মুক্ত করা হবে। দেশ ও জনগণকে এ সরকারের নির্যাতন ও অন্যায়-অত্যাচার থেকে মুক্ত করা হবে।”
মওলানা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “দেশ রক্ষা করতে হলে এখন আর বসে থাকা যাবে না। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাস্তায় নামতে হবে। এ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।”
বাংলাদেশ সময়: ১৮০১ ঘণ্টা, জুলাই ১৫, ২০১২
সম্পাদনা: জাকারিয়া মন্ডল, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর