ঢাকা : আশির দশকের ১০১ ছাত্রনেতা বলেছেন, সরকার বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আলীকে গুম করে ও জাতীয় নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে জনগণের আন্দোলনকে স্তব্ধ করতে পারবে না। যতো বেশি জুলুম-নির্যাতন আসবে জনগণের আন্দোলন ততোই বেশি বেগবান হবে। দেশের ১৬ কোটি মানুষই এখন এ সরকারের পতন চায়। জনগনের আশা-আকাঙ্খার বাস্তবায়নে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই।
নেতারা অভিযোগ করে বলেন, বিএনপিসহ ১৮ দলের ৩৩ জন জাতীয় নেতাকে একই দিনে কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি জনগণ সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখছেন। পার্শ্ববর্তী একটি রাষ্ট্রের অ্যাসাইনমেন্ট বাস্তবায়নের জন্যই সরকার বিচার বিভাগের ওপর খবরদারি করে জাতীয় নেতাদের কারাগারে পাঠিয়ে বিচার বিভাগের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ চালিয়েছে। এতে বোঝা যায়, দেশে কোনো আইনের শাসন নেই।
বৃহস্পতিবার আশির দশকের ১০১ ছাত্রনেতা সমন্বয়কারী সরওয়ার আজম খান স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এসব মন্তব্য করে বলেন, ইলিয়াস আলীকে জীবিত ফেরত না দিলে এবং জাতীয় নেতাদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহার না করা হলে দেশ এক অনিবার্য সংঘাত-সংঘর্ষের দিকে ধাবিত হবে। এর জন্য সরকারকে চরম মাশুল দিতে হবে। উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য সরকারকেই সকল দায়-দায়িত্ব বহন করতে হবে।
বিবৃতিতে নেতারা বলেন, স্বৈরাচার আইয়ুব-ইয়াহিয়া-এরশাদের সামরিক শাসনও জাতি পর্যবেক্ষণ এবং মোকাবিলা করেছে। শেখ হাসিনার দুর্বল সরকার মোকাবিলার জন্য খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্বই যথেষ্ট।
নেতারা সরকারের এহেন ঘৃণ্য কার্যকলাপের নিন্দা ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে হরতালসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন ড. আসাদুজ্জামান রিপন, ফেরদৌস আহম্মেদ খোকন, সরওয়ার আজম খান, তাপস পাঠান, এস এম কামাল উদ্দিন চৌধুরী, তকদীর হোসেন মোঃ জসিম, স্বপন চৌধুরী, অ্যাড. খন্দকার আহসান হাবীব, শাহজাহান মিয়া সম্রাট, ফোরকান-ই-আলম, অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, মনির-উজ-জামান মনির, জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, অ্যাড. রেজাউল করিম রাজা ভিপি, আলী আকবর চুন্নু, আলী আহম্মদ, কাজী সালাউদ্দিন খসরু, নুরুল ইসলাম বাবু ভিপি, বি এম বদরুল, শরীফ উদ্দিন আরজু ভিপি, নূর-ই-আলম হেলাল, আবু তাহের তালুকদার, মনিরুজ্জামান বুলবুল, তৌহিদুল ইসলাম বাচ্চু, কামরুল ইসলাম বাবলু, খন্দকার ফজলুল হক টুলু, বদিউল আলম খান, জাহান্দার আলী জাহান জিএস, জেড মর্তুজা তুলা, শাহ মোঃ এরশাদুল হক, এনামুল করিম মুন্না, কাজী হেনা, মুন্সি ওয়াজিউল হক শরীফ, অ্যাড. সৈয়দ মোদাররেছ আলী ইসা, এ এফ এম ইকবাল, মাহবুব আলমগীর আলো, আমজাদ হোসেন, রেদুয়ান হোসেন, ইঞ্জি. গাজী সালাহউদ্দিন জঙ্গী ভিপি, শফিকুল ইসলাম শাহেদ, রিয়াজ উদ্দিন নসু, আঃ হামিদ মিয়া ভিপি, দেলোয়ার হোসেন, অ্যাড. শেলী সুলতানা জামান, মুস্তাক আহমেদ, নুরুল আমিন, এস শাহ শওকত হোসেন, এ ওয়াই ওয়ালিউল্লা রাব্বানী ভিপি, শফিকুল ইসলাম শাহিদ, অ্যাড. নাজিম, অ্যাড. গোলাম মাহবুব, আব্দুল্লাহিল বাক্কী, অ্যাড. নাসির হায়দার, কুতুব উদ্দিন আহম্মেদ, গোলাম মোস্তফা কাজল, আলী আশরাফ নান্নু ভিপি, জাহাঙ্গীর মোল্লা, ইফতেখার হোসেন চৌধুরী, জাহিদুল আহসান রঞ্জু, মাহবুবে আলম শামীম, আকতার মাঝি ভিপি, শরীফ মোঃ ইউনুস, খোরশেদ আলম (ডাকসু), আব্দুল মোতালেব, জাহাঙ্গীর হোসেন অপু, অ্যাড. আনোয়ার আজিজ টুটুল, কামরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, খন্দকার মাশুকুর রহমান ভিপি, আশরাফুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান মনির, অধ্যাপক সালাম শিকদার, আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, দেবাশীষ রায় মধু, শেখ তুহিন, রহমত উল্লাহ আইয়ুব, ইঞ্জি. মাসুদ, আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, এমদাদ হোসেন, কাজী এনামুল হক, কামরুল হুদা জায়াগরদার, ইকবাল বাহার চৌধুরী, গাজী আহসান হাবীব ভিপি, অ্যাড. শামিমুল হাসান অপু, অ্যাড. আবু সেলিম চৌধুরী, মুর্তাজুল করিম বাদরু, অধ্যক্ষ জিয়া উদ্দিন শাকির, আলাউদ্দিন আহমেদ, শফিকুর রহমান, মনির হোসেন ভিপি, মাযহারুল ইসলাম মিতুল, অ্যাড. আবু মুরাদ, আনোয়ার হোসেন শিকদার, রেজাউল করিম সিকদার, সেলিম করানাইন ভিপি, শাহ আব্দুল আল বাকী, আলী আশরাফ, আব্দুর রহিম ভিপি, শরীফ মোঃ ইউনুস, সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, আনছার আলী খান জয়, মোঃ জহুরুল হক জহির, নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া, খলিলুর রহমান ভিপি, মিজানুর রহমান পলাশ, মোঃ হানিফ, শহিদুজ্জামান স্বপন, মাসুদুর রহমান ভিপি, সামসুজ্জামান সুরুজ, ইউনুস মিয়া, মোস্তাফিজ, আবুল বাশার বাবুল, প্রিন্স বাহার চৌধুরী, শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, মাসুম কবির, জহির উদ্দিন বাবর ভিপি, একলাসুর রহমান জুয়েল, আলমগীর হোসেন, আব্দুর রহিম, জাকির আহাম্মদ, মাজহারুল ইসলাম প্রমুখ।
বাংলাদেশ সময়: ২১১০ ঘণ্টা, মে ১৭, ২০১২
আরডি/সম্পাদনা : অশোকেশ রায়, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর