 |
ঢাকা: সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজধানীর ঢাকার জনসংখ্যা। সমহারে না বাড়লেও বাড়ছে নানা আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। বিশেষ করে প্রযুক্তিগত সুবিধা বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।
প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রতারক চক্রের দৌরাত্ম্য। প্রতিদিনই নানারকম প্রতারণার খবর পাওয়া যাচ্ছে সংবাদমাধ্যমগুলোতে।
এ সকল প্রতারণার বেশিরভাগই হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে। এর মধ্যে মোবাইল ফোনকল বা এসএসএস এর মাধ্যমে লোভনীয় অফার দিয়ে, বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দিয়ে এবং রিয়েলিটি শো’র নামে নানাভাবে প্রতারক চক্র সক্রিয় রয়েছে।
বর্তমানে রাজধানীতে এ ধরনের প্রতারণা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতারণার চক্করে পড়ে মানুষ আর্থিক, শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। এমনকি কখনো কখনো প্রতারণার মাধ্যমে ঘটছে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনাও।
এমনি এক প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়েছেন রাজধানীর উত্তরার ৬নং সেক্টরের এক ব্যবসায়ী পরিবার। ব্যবসায়ীর নাম সৈয়দ রফিকুল আলম রাহাত। তার পিতার নাম গোলাম মাওলা।
তিনি বাংলানিউজকে জানান, রোববার সন্ধ্যার পরে হঠাৎ তার বাবার মোবাইলে ০১৭৭২৬৬৭৪০৬ নম্বর থেকে একটি ফোন আসে। তাকে বলা হয় ‘গ্রামীণ ফোন থেকে আপনি একটি গাড়ি জিতেছেন। তিনদিনের মধ্যে আপনাকে গাড়িটি পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে একথা গোপন রাখতে হবে। কেননা জানাজানি হয়ে গেলে সমস্যা হতে পারে। আপনি কাউকে বলবেন না। আমরা ৪/৫ জন এসে তিনদিনের ভেতরে আপনার গাড়ি বুঝিয়ে দেব।’
এসময় গাড়ির রেজিস্ট্রেশন বাবদ নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা কাছে রাখার জন্য বলা হয়।
পরে গাড়ি পৌঁছে দেওয়ার জন্য রাহাতের বাবার কাছ থেকে তাদের বাসার ঠিকানা জেনে নেয় ফোনকর্তা।
পরে বিষয়টি নিশ্চিত হতে গ্রামীণ ফোন অফিসে যোগাযোগ করে রাহাত এর কোনো সত্যতা পাননি। তাকে গ্রামীন ফোন থেকে বলা হয়, ‘এসব মিথ্যা ও প্রতারণা। তাদের এ ধরনের কোনো অফার নেই।’
এরপরই রাহাতসহ গোটা পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তিনি এখন শঙ্কার মধ্যে আছেন বাড়ির ঠিকানা টুকে নেওয়ায় সংঘবদ্ধ ডাকাত দল হয়তো ডাকাতির চেষ্টা করতে পারে।
বাংলাদেশ সময়: ২১১৯ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৫, ২০১২
সম্পাদনা: জয়নাল আবেদীন, নিউজরুম এডিটর ও অশোকেশ রায়, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর