 |
ঢাকা: আইসিসির হল অব ফেমের সম্মানকে প্রয়াত বাবা বান্টি লারাকে উৎসর্গ করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অধিনায়ক ব্রায়ান লারা। শুক্রবার কলম্বোতে আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসির হল অব ফেমের তালিকায় লারাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
পুত্র ব্রায়ান লারার টেস্ট অভিষেকের আগেই মারা যান বান্টি। ক্রিকেটে গৌরবময় সাফল্যের জন্য পিতার পাশাপাশি ভাই উইন্সটন এবং বোন অ্যাগনেসকেও কৃতিত্ব দেন লারা। কলম্বোর ওয়াটার এজ রিসোর্টের অনুষ্ঠানে লারা ক্রিকেটার হিসেবে গড়ে ওঠার পেছনে ভাই ও বোনের অবদানকে স্মরণ করেন।
‘তিনি (বান্টি লারা) ক্রিকেটার হিসেবে ও জীবনে সফলতার জন্য আমার যেসব জিনিসের প্রয়োজন ছিলো সবই নিশ্চিত করেছিলেন। এমনকি কষ্টকর সময়েও। আমার সব চাহিদা পূরণেই বিশেষ সচেষ্ট ছিলেন তিনি’- বলেন লারা।
‘আমাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হতো... । কিন্তু আমি জানতাম আমার পেছনে শক্ত সমর্থনও রয়েছে। আমার সবচেয়ে বড় কষ্ট হচ্ছে তিনি আমার টেস্ট ম্যাচ খেলা দেখে যেতে পারেননি। কিন্তু তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় ত্রিনিদাদে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের উপস্থিতি ছিলো ওই লোকটির প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা। যিনি আমাকে অসাধারণ খেলাটি খেলার জন্য এবং এতে স্থায়ী অবদান রেখে যাওয়ার যাবতীয় উপকরণ জুগিয়েছিলেন।’
১৭ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে টেস্টে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারীদের অন্যতম হন লারা। ১৩১ ম্যাচে ৫২.৮৮ গড়ে ১১ হাজার ৯৫৩ রান সংগহ করেন। টেস্টে এক ইনিংসে ব্যক্তিগত ৪০০ রানের রেকর্ড গড়েছেন তিনি। ২০০৪ সালে এন্টিগুয়া টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওই রান করেন তিনি।
প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে শতক, দ্বি-শতক, ত্রিপল, চতুর্থ ও পঞ্চম শতক করা একমাত্র ব্যাটসম্যানও লারা। ১৯৯৪ সালে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ডারহামের হয়ে ওয়ারউইকশায়ারের বিপক্ষে অপরাজিত ৫০১ রান করেন।
লারা একদিনের ম্যাচ খেলেছেন ২৯৯টি। যেখানে ৪০.৪৮ রান গড়ে ১০ হাজার ৪০৫ রান করেন এই ত্রিনিদাদ ব্যাটসম্যান।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৫৩ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১২
এএইচবি
সম্পাদনা: চঞ্চল ঘোষ, নিউজরুম এডিটর