 |
ঢাকা: দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহজুড়ে লেনদেন কমলেও সাধারণ সূচকের কিছুটা উন্নতি হয়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইর সাধারণ সূচক বেড়েছে ৮৬ দশমিক ১৫ পয়েন্ট। অন্যদিকে লেনদেন কমেছে ৭ দশমিক ০৪ শতাংশ।
আগের সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস সোমবার ডিএসইর সাধারণ সূচক ছিল ৪ হাজার ৮৮ দশমিক ৬২ পয়েন্ট। সপ্তাহ শেষে বৃহস্পতিবার সূচক বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ১৭৪ দশমিক ৭৭ পয়েন্টে। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে সূচক বেড়েছে ৮৬ দশমিক ১৫ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ১১ শতাংশ।
উল্লেখ্য, গত রোববার বিজয় দিবস উপলক্ষে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন বন্ধ ছিল।
অন্যদিকে, গত সপ্তাহের অধিকাংশ কার্যদিবসেই ডিএসইর সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন। এছাড়া বেড়েছে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেন কমেছে ৭ দশমিক ১৫ শতাংশ। লেনদেন হয়েছে মোট ৮৯২ কোটি ৭৩ লাখ ৩ হাজার ৮১২ টাকা। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৯৬০ কোটি ৩২ লাখ ৫২ হাজার ২৫৩ টাকা।
গত সপ্তাহের ৪ কার্যদিবসে ডিএসইর ২৮৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২০২টির, কমেছে ৬৭টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১০টির দাম। কোনো লেনদেন হয়নি ৭টি প্রতিষ্ঠানের। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠাগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছিল মাত্র ৮৪টির, কমেছে ১৮৪টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১৪টির দাম। কোনো লেনদেন হয়নি ৪টি প্রতিষ্ঠানের।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এদিকে, মোট ৪ কার্যদিবসের দৈনিক গড় লেনদেনও বেড়েছে। গত সপ্তাহে দৈনিক গড় দাঁড়ায় ২২৩ কোটি ১৮ লাখ ২৫ হাজার ৯৫৩ টাকা; যেখানে এর আগের সপ্তাহে গড় ছিল ১৯২ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার ৪৫১ টাকা। অর্থাৎ গত সপ্তাহে এর আগের সপ্তাহের চেয়ে গড় লেনদেন বেড়েছে ১৬ দশমিক ২০ শতাংশ।
এছাড়া ডিএসইতে কমেছে শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ২৬ কোটি ৩২ লাখ ২৯ হাজার ৮২৬টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে। যেখানে গত সপ্তাহের আগের সপ্তাহে ছিল ২৮ কোটি ৬ লাখ ১৫ হাজার ৩২৯টি । সুতরাং গত সপ্তাহে শেয়ার লেনদেন কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ।
সাপ্তাহিক দাম বাড়ার ভিত্তিতে ডিএসইর শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- বেক্সিমকো সিনথেটিক (১৮ দশমিক ৪০ শতাংশ দাম বাড়ে), বেক্সিমকো লিমিটেড (১৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ), জিবিবি পাওয়ার(১২ দশমিক ৪২ শতাংশ), কাশেম ড্রাইসেল (১০ দশমিক ৮৫ শতাংশ), সামিট পাওয়ার (১০ দশমিক ৭৭ শতাংশ), দেশবন্ধু পলিমার (১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ), সপ্তম আইসিবি মি. ফান্ড (৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ), বরকোতুল্লাহ ইলেকট্রো (৮ দশমিক ৮২ শতাংশ), পপুলার লাইফ (৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ) এবং ঢাকা ব্যাংক (৮ দশমিক ৬২ শতাংশ)।
অন্যদিকে, সপ্তাহ শেষে দাম কমার ভিত্তিতে ডিএসইর শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- জেনারেশন নেক্সট (১১ দশমিক ৯২ শতাংশ দাম কমেছে), সিয়ামপুর সুগার মিল (১০ দশমিক ০০ শতাংশ), বঙ্গজ (৬ দশমিক ২৭ শতাংশ), প্রাইম ব্যাংক ফাস্ট মি. ফান্ড (৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ), ষষ্ঠ আইসিবি মি. ফান্ড (৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ), আইসিবি ইমপ্লয়ি প্রোভিডেন্ট মি. ফান্ড ওয়ান (৪ দশমিক ৭১ শতাংশ), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল (৪ দশমিক ৬২ শতাংশ), লিবরা ইনফিউশন (৪ দশমিক ২৯ শতাংশ), বাজার পেইন্ট (৩ দশমিক ৯০ শতাংশ) এবং আমরা টেকনোলজি (৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ)।
বাংলাদেশ সময়: ০৬৩৪ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২১, ২০১২
এসএনএইচ/ সম্পাদনা: প্রভাষ চৌধুরী, নিউজরুম এডিটর