 |
| ছবি: উজ্জ্বল ধর/বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
চট্টগ্রাম: শিক্ষা ব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন আনতে সরকার জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের আধুনিক ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজের সুশিক্ষিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বাস্তবসম্মত শিক্ষানীতি প্রণয়নে কাজ করছে। যার লক্ষ্য হচ্ছে তরুণ প্রজন্মকে আধুনিক ও বাস্তবসম্মত শিক্ষায় শিক্ষিত করা।
শনিবার সকালে নগরীর এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল ও মাদরাসা ক্রীড়া সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত ৪১তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, খেলাধুলা শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ। শিক্ষার উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষিত করে দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে তোলা। যা শুধু শ্রেণিকক্ষে সম্ভব নয়।
‘শিশুর মানসিক ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলা অত্যন্ত জরুরি’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের স্কুল ও মাদরাসায় গ্রীষ্মকালীন ও শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করে নতুন প্রজন্মকে আগামী দিনের সৈনিক হিসেবে গড়ে তোলায় কাজ করছে।
ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা, পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো, বন্ধুত্ব এবং ভবিষ্যতের নেতৃত্ব প্রদানের গুণাবলি অর্জন করবে বলেও তিনি মনে করেন।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বড় শহর ও বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামে তরুণদের এ ক্রীড়া উৎসবে আগামী দিনের দক্ষ ও উল্লেখযোগ্য খেলোয়াড় বেরিয়ে আসবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সাংসদ নুরুল ইসলাম বিএসসি, শিক্ষাসচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের (মাধ্যমিক) যুগ্মসচিব এএস মাহমুদ এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফাহিমা খাতুন।
পরে প্রধান অতিথি বেলুন উড়িয়ে ৫ দিনব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। এরপর এতে অংশ নেওয়া চট্টগ্রাম ও উপজাতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে ছাত্রীদের প্রদর্শিত ডিসপ্লে উপভোগ করেন মন্ত্রী।
এদিকে আয়োজক সূত্র জানায়, প্রতিযোগিতায় সারা দেশকে চারটি অঞ্চলে ভাগ করে ৪২৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।
বাংলাদেশ সময়: ১২ ১৮ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১২
এমবিএম, সম্পাদনা: তপন চক্রবর্তী ব্যুরো এডিটর