 |
ঢাকা: ঈদ ও পূজার ছুটির পর দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ সূচকের বড় পতন দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে শুরুতে লেনদেনে ধীরগতি থাকলেও শেষে ঊধ্বগতি ছিল। গত দিনের চেয়ে এদিন লেদদেন বেড়েছে ১৪১ কোটি টাকারও বেশি।
বুধবার বেলা সাড়ে ১০টায় লেনদেন শুরুর পর থেকেই সূচক কমতে থাকে। লেনদেনের প্রথম ৫ মিনিটে অর্থাৎ ১০টা ৩৫ মিনিটে ডিএসই’র সাধারণ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে যায়। ১০টা ৪৫ মিনিটে ডিএসই’র সাধারণ সূচক ১৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ৪ হাজার ৫৩৫ পয়েন্টে।
এরপর ১১টার সময় সূচক ৩০ পয়েন্ট কমে যায়। ১১টা ১০ মিনিট থেকে সূচক কিছুটা বাড়লেও ১১টা ৪৫ মিনিটে আবার কমতে থাকে। বেলা ১২টার দিকে ডিএসই’র সাধারণ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে যায়। বেলা ১টার দিকে সূচক ১৭ পয়েন্ট কমে যায়। ১টা ৪৬ মিনিটে সূচক ৫২ পয়েন্ট কমে যায়, লেনদেন শেষে ডিএসই’র সাধারণ সূচক ৫৮ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৪৯৩ পয়েন্টে অবস্থান করে।
এদিন ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪১৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড।
বুধবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৩টি শেয়ারের, কমে ১৬২টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৫টির দাম।
উল্লেখ্য, ঈদ ও পূজার ছুটিতে ২৪ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্ন্ত মোট ছয় দিন লেনদেন বন্ধ ছিল ডিএসই ও সিএসই।
ছুটির আগের শেষ কর্মদিবস গত মঙ্গলবার লেনদেন শেষে সূচকে যোগ হয় প্রায় ৫৯ পয়েন্ট। হাতবদল হয় প্রায় ৩৯৭ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড। এরমধ্যে দাম বাড়ে ১৯১টি শেয়ারের, কমে ৬৫টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৮টির দাম।
লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) ডিএসইর শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় ওঠানামা করে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, যমুনা অয়েল, তিতাস গ্যাস, অলিম্পিক, ন্যাশনাল ব্যাংক, গ্রামীণ ফোন, ইউসিবিএল, বীকন ফার্মা, ইউনিক হোটেল এবং গ্রামীণ-২ মি. ফান্ড।
অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক ১০৬ পয়েন্ট কমে ৮ হাজার ৭৩৬ পয়েন্টে অবস্থান নেয়। এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৫৭টি, কমেছে ১২৬টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
বুধবার সিএসইতে মোট লেনদেন হয় ৪৪ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।
বাংলাদেশ সময় : ১৬২৭ ঘণ্টা, অক্টোবর ৩১, ২০১২
এসএনএইচ/জেডএম