ঢাকা: লিবিয়ার সাবেক একনায়ক কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফি পতনের দ্বিতীয় বছর পূর্তি উদযাপন করছে লিবিয়াবাসী। ২০১১ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি গাদ্দাফির চার দশকের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে। স্বৈরশাসন পতন দিবস উদযাপনের জন্য দুদিন আগে থেকেই দেশের বিভিন্নপ্রান্ত থেকে লিবীয়রা প্রধান দুটি নগর ত্রিপোলি ও বেনগাজিতে সমবেত হয়।
এই দিনটি উদযাপন কেন্দ্র করে সারা দেশ জুড়ে অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সীমান্ত বণ্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং নতুন সহিংসতার এড়াতে কয়েকটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্থগিত রাখা হয়েছে।
রোববারের এই বিজয়জয়ন্তীর জন্য কোনো সরকারি কার্যক্রম গ্রহন করা হয়নি।তবে এই দিনটিকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে পালনের কথা মাথায় রেখে ও সহিংসতার এড়াতে কর্তৃপক্ষ যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছে।
লিবিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত মিশর ও তিউনিশিয়ার সীমান্তগুলি বৃহস্পতিবার থেকে চার দিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
১৭ ফেব্রুয়ারির বিপ্লবের এই দিনটিকে সুষ্ঠুভাবে পালনের উদ্দেশ্যে ত্রিপোলি ও বেনগাজি ব্যতিত সকল বিমান বন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্থগিত রাখা হয়েছে।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী আলি জিদান বলেন, “কোনো ধ্বংসাত্বক পরিস্থিতি যেন দিনটি উদযাপনে ব্যাহত না করে সে দিক থেকে সকল নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”
বর্তমানে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে গাদ্দাফির সময়ের বহাল থাকা সরকারি কর্মকর্তাদের নিষিদ্ধ করা এবং ত্রিপোলিতে “জনপ্রিয় বিপ্লব” লেখা লিফলেট বিলি করে।
তবে এসব লিফলেট বিলির পেছনে বা ‘বিপ্লব’ ডাক দেওয়ার পেছনে কে বা কারা রয়েছে তা অস্পষ্ট। সরকারি কর্মকর্তা ও ইসলামি সংগঠনসহ বিভিন্ন সংগঠন অভিযোগ করেছে, দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য বিক্ষোভের ডাক দিচ্ছে গাদ্দাফির সমর্থকরা।
এদিকে রোববার দিনের শেষে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানান, খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারের অভিযোগে বেনগাজিতে চার বিদেশীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ২০০২ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৩
সম্পাদনা: সানজিদা সামরিন ও শরিফুল ইসলাম, নিউজরুম এডিটর, eic@banglanews24.com