ঢাকা: রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরো এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
এসব সিসিটিভির কন্ট্রোল রুম, ধানমণ্ডি থানায় কনফারেন্স রুম এবং জনসাধারণের আলোচনার জন্য গোলঘরের উদ্বোধন করেছেন ঢাকা ১২ আসনের এমপি ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বেনজির আহমেদ।
শনিবার বিকেল চারটায় ধানমণ্ডি মডেল থানা ও কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের আয়োজনে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফজলে নূর তাপস বলেন, “ধানমন্ডির উন্নয়নের জন্য আমরা দলমত নির্বিশেষে কাজ করছি। আমাদের রাজনীতিতে হানাহানি দখলবাজি নেই। আমাদের রাজনীতি উন্নয়নের রাজনীতি। বাংলাদেশ জঙ্গিবাদের রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর থেকে এদেশে আর কোনো জঙ্গিবাদ হয়নি। জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় প্রত্যয় আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় এটা সম্ভব হয়েছে।”
তিনি জানান, ধানমণ্ডি লেক সাজানোর জন্য ২৪ লাখ টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। রাস্তাঘাটের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫৫ কোটি টাকা। এছাড়া ড্রেনেজ প্রকল্পে ওয়াসার কাছ থেকে ৮০ কোটি টাকার প্রকল্প পাশ করানো হয়েছে।
বিশেষ অতিথি বেনজির আহমেদ বলেন, “বিশ্বে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পণ্যে পরিণত হয়েছে। এটা দুইভাবে হতে পারে- একটি হচ্ছে জনগণের সারাসরি সম্পৃক্ততা আর একটি হচ্ছে সরকারকে ট্যাস্ক প্রদান। আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য অর্থব্যয়ের প্রয়োজন আছে। ধানমণ্ডি এলাকার মতো গুলশান এলাকাতেও এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই আমরা এর উদ্বোধন করব।”
তিনি জানান, লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের অধীনে ১৩ লাখ সিসিটিভি আছে। আমরা মাত্র ১০ হাজার ক্যামেরা দিয়ে ঢাকা শহরকে নিরাপত্তা বেস্টনী তৈরি করতে পারব।
কন্ট্রোল রুমে ৪২ ইঞ্চির ৬টি মনিটরের মাধ্যমে ধানমণ্ডি এলাকায় স্থাপন করা ৩২টি সিসিটিভি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার সৈয়দ নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি অ্যাড. নাজমুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক এম মোরশেদ কামাল, ধানমণ্ডি থানা আ. লীগ সভাপতি কামাল আহমেদ ও বিদায়ী ওসি মনিরুজ্জামান।
বাংলাদেশ সময়: ১৯৪৮ ঘণ্টা, জুন ০৯, ২০১২
এএমএন/সম্পাদনা: আহমেদ জুয়েল, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর