চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামের প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ ছাত্রকে ক্যাম্পাসে উচ্ছৃঙ্খলতা সৃষ্টির দায় থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
চট্টগ্রামের মেয়র এম মনজুর আলম, সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অনুপম সেনের হস্তক্ষেপে অভিযুক্ত ছাত্ররা ক্যাম্পাসে আর উচ্ছৃঙ্খলতা করবে না মর্মে কর্তৃপক্ষের কাছে মুচলেকা দেয়ায় আদালত তাদের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন।
একইসঙ্গে প্রক্টরিয়াল বডিও ছাত্রদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মোঃ মাহাবুবুর রহমান এ আদেশ দিয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের দামপাড়া ক্যাম্পাসে ক্লাস গ্রহণে বাঁধাদান, ভাংচুরসহ নৈরাজ্য সৃষ্টির অভিযোগে প্রক্টর নূর মোহাম্মদসহ প্রক্টরিয়াল বডির আট সদস্য যৌথভাবে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি নগরের কোতয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন।
এতে অভিযুক্ত ব্যবসা প্রশাসন অনুষদের এমবিএ বর্ষের ১৪ জন ছাত্র হলেন- নাজমুল হক, বাঁধন সরকার, শাহজালাল সিকদার, আব্দুল মবিন, আলী মর্তুজা ইমু, ইমরান হায়দার, রিপন রায় চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম, সনেট বড়–য়া, সমীর সরকার, শামীর নূর, সোহলে আহমেদ, কাজী জয়নাল আবেদিন এবং শরীফ।
সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার কোতয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ আলী আদালতে একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। এতে বর্তমান মেয়র ও সাবেক মেয়রের হস্তক্ষেপে ছাত্রদের মুচলেকা প্রদান, প্রক্টরিয়াল বডির অভিযোগ প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করা হয়।
বিচারক তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদেশে উল্লেখ করেন, বর্তমান মেয়র, সাবেক মেয়র, উপাচার্য, সম্মানিত ডিন, প্রক্টরিয়াল বডির অপরাপর শিক্ষক ও শিক্ষিকাবৃন্দের প্রচেষ্টায় ছাত্ররা মুচলেকা প্রদানে সম্মত হয়েছে। এটা তাদের জন্য ইতিবাচক দিক।
আদেশে আরও বলা হয়, আদালত আশা করে, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের মত পবিত্র অঙ্গণে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রেখে ছাত্র-ছাত্রীদের নিজেদের পরিবার, সমাজ ও জাতির মুখ উজ্জ্বল করার প্রচেষ্টায় নিজেদের নিয়োজিত রাখবে।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করে।
বাংলাদেশ সময় : ২১৪৯ ঘণ্টা, মে ২৪, ২০১২
আরডিজি,
সম্পাদনা : সুকুমার সরকার, কো-অর্ডিনেশন এডিটর
kumar.sarkerbd@gmail.com